• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

বায়ু দূষণে বছরে ৬ লাখ শিশুর মৃত্যু

বায়ু দূষণে বছরে ৬ লাখ শিশুর মৃত্যু

ফিচার ডেস্ক০৫ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:২৯পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর ১৫ বছরের নিচে ছয় লাখ শিশু মারা যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, যেসব শিশু প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে উচ্চ মাত্রার বায়ু দূষণে ভুগছে, পরবর্তী জীবনে তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৫ বছরের নিচে ৯৩ শতাংশ শিশু (১.৮ বিলিয়ন) প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দূষিত বায়ু গ্রহণ করছে। এর মধ্যে ৬৩০ মিলিয়ন শিশুর বয়স পাঁচ বছরের নিচে। এর ফলে কেবল ২০১৬ সালে দূষিত বায়ু দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে প্রায় ছয় লাখ শিশু মারা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ডব্লিউএইচও প্রধান টিড্রোস অ্যাডহাম গেব্রেসাস এক বিবৃতিতে বলেন, “দূষিত বাতাস লাখ লাখ শিশুকে আক্রান্ত করছে এবং তাদের জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে”।

এটা কখনই গ্রহনযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রত্যেক শিশুর বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেয়ার অধিকার রয়েছে, যাতে তাদের সম্ভাবনার বিকাশ ঘটাতে পারে”।

ডব্লিউএইচও এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয় জনেরও বেশি লোক বিপজ্জনকভাবে বিষাক্ত বায়ু গ্রহণ করছে। ফলে প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ (৭ মিলিয়ন) লোকের অকাল মৃত্যু হচ্ছে।

বিশেষ করে শিশুদের জন্য বায়ূ দূষণ খুবই বিপজ্জনক উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর বিশ্বে মারা যাওয়া শিশুদের প্রতি ১০ জনে এক জন বায়ু দূষণে মারা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দূষিত বায়ুতে থাকা বিষাক্ত সালফেট এবং কালো কার্বন সরাসরি ফুসফুস এবং শ্বসনতন্ত্রে প্রবেশ করে এদের কার্যকারিতা ধ্বংস করে ফেলে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে শিশুরা উন্নত দেশের তুলনায় বেশি বায়ু দূষণ দ্বারা প্রভাবিত হয়। যেখানে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে পাঁচ বছরের নিচে ৯৮ শতাংশ শিশু বায়ু দূষণে ভুগে, সেখানে উন্নত দেশে এ হার ৫২ শতাংশ।

ডব্লিউএইচও এর মতে, বায়ু দূষণের দ্বারা আক্রান্ত গর্ভবর্তী নারীরা অপরিণত এবং কম ওজনের শিশুর জন্ম দেয়। এসব শিশুরা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বেড়ে ওঠে।

ডব্লিউএইচও এর জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগের প্রধান মারিয়া নিরা সতর্ক করে বলেন, “বায়ু দূষণ শিশুর মানসিক এবং বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশকে প্রভাবিত করে। এছাড়া শিশুদের অ্যাজমা এবং ক্যান্সার রোগের জন্য উচ্চমাত্রার বায়ু দূষণ দায়ী”।

বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মারিয়া নিরা বলেন, “আমাদের যথাসম্ভব জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করতে হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে”।

 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে লিখেছেন এনামুল হক।

করোনায় আক্রান্ত আ'লীগের আরেক এমপি, এনিয়ে ৪ জন

করোনায় আক্রান্ত আ'লীগের আরেক এমপি, এনিয়ে ৪ জন

এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের আওয়ামী লীগের এমপি

করোনাভাইরাসে প্রফেসর ডা: গোলাম কিবরিয়া মৃত্যু

করোনাভাইরাসে প্রফেসর ডা: গোলাম কিবরিয়া মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রফেসর ডা: এস এ এম গোলাম কিবরিয়া

দুগ্ধজাত খাবার ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম

দুগ্ধজাত খাবার ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম

বর্তমান যুগে আমাদের জটিল জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে ডায়াবেটিস ও

লাইফস্টাইল

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ঘরোয়া পদ্ধতি

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ঘরোয়া পদ্ধতি

ঘাম ও অস্বস্তিকর গরম। গ্রীষ্মের এমন আচরণে এসি ছাড়া থাকা অনেকের পক্ষেই দুর্বিসহ। কিন্তু করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এসি ব্যবহারেও নানা বিধিনিয়ম আরোপ হয়েছে। তবু গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এসি চালানোর প্রবণতা। এদিকে এসি চালিয়ে রাখায় চাপ পড়ছে পকেটে। সঙ্গে ঠান্ডা লেগে বাড়ছে সর্দি-কাশির সমস্যা। করোনা সংক্রমণের স্থায়ী ভয় তো রয়েছেই। যখন এসি-র উদ্ভাবন হয়নি তখনও গরমের সময় মানুষ নানা উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখতেন।

স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্কের সঙ্গে চশমাও কি দরকার?

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্কের সঙ্গে চশমাও কি দরকার?

আমরা ইতিমধ্যে সবাই জানি যে, নাক বা মুখ দিয়ে করোনাভাইরাস দেহে প্রবেশ করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা নাক ও মুখের পাশাপাশি হাত না ধুয়ে চোখ স্পর্শ করতেও বারবার নিষেধ করছেন। এমন অবস্থায় অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে সত্যিই কি চোখ দিয়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়া সম্ভব? যদি সত্যিই চোখ দিয়ে করোনা সংক্রমিত হবার সম্ভাবনা থাকে তাহলে চোখ স্পর্শ না করলেও বাতাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে নাক ও মুখে মাস্ক পরার পাশাপাশি চোখের নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করাও জরুরি হয়ে দাঁড়াবে।

স্বাস্থ্য

মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

মস্তিষ্কের টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্রেইন বা মস্তিষ্কের টিউমার বলে। যেকোনো বয়সেই মস্তিষ্কের টিউমার হতে পারে। যার সঠিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে রেডিয়েশন বা বিকিরণ একটা কারণ হতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা। অতীতে পরিবারে কারও মস্তিষ্কে টিউমার হয়ে থাকলে অন্যদেরও খানিকটা ঝুঁকি থাকে।

জাতীয়

ফিসারি দেখতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেড়া তারে শিক্ষকের মৃত্যু

ফিসারি দেখতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেড়া তারে শিক্ষকের মৃত্যু

নেত্রকোনার বারহাট্টায় ফিসারি দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সিংধা ইউনিয়নের তেলীকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের

মতামত

যেভাবে মাত্র ৭ দিনে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করোনা জয়!

যেভাবে মাত্র ৭ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করোনা জয়!

আসলে কতটুকু সচেতনতা আমাদেরকে জয় এনে দিতে পারে নভেল করোনা ভাইরাসের বিপক্ষে? ভয় না পেয়ে সচেতনতার সাথেইতো বাসায় ছিলাম,

স্বাস্থ্য

মাস্ক না ফেস শিল্ড, কোনটি বেশি নিরাপদ?

মাস্ক না ফেস শিল্ড, কোনটি বেশি নিরাপদ?

কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের গ্রাফ ক্রমেই উর্ধমুখী। এর মধ্যেই যেতে হচ্ছে বিভিন্ন অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। রাস্তা ও যানবাহনে সামাজিক দূরত্বের মাপকাঠি বজায় থাকছে না বললেই চলে। এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানানো হচ্ছে- করোনাভাইরাসের মারণক্ষমতা একটুও কমেনি। কাজেই লকডাউন তোলার পর্যায়ে খুব সতর্ক থাকতে হবে। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অনেকেই মাস্কের উপর স্বচ্ছ প্লাস্টিকের মুখাবরণ বা ফেস শিল্ড পরছেন।