ক্ষমতায় গেলে সব শিক্ষার্থীদের মিলিটারি ট্রেনিং দেয়ার কথা জানালেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বললেন, আমার দল যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায় প্রত্যেকটি ছাত্রকে আমরা কম্বলসারি মিলিটারি ট্রেনিং দেব। জুলাই আগস্টে যে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে এতে সারা বিশ্বে আমাদের সম্মান বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, আন্তরিক অভিযান জানাই সেসব ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের যারা রাজপথে এসে স্বৈরশাসক কে বিদায় জানিয়েছে।
মূলত ছাত্র ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে ভারতীয় নানা তৎপরতার বিষয় সামনে আসলে নানা মহল থেকে দাবি ওঠে শিক্ষার্থীদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যাপারে। শিক্ষার্থীরাও নানা সময়ে এমন দাবি জানিয়ে আসছিলো। উদাহরণ টানা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের, যারা নিজেদের তরুণদের সামরিক ট্রেনিং দিয়ে থাকেন।
এবার সেই দাবির ব্যাপারেই মন্তব্য করলেন মেজর হাফিজ। বললেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ব্যবস্থা করা হবে শিক্ষার্থীদের সামরিক ট্রেনিং এর। ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকান্ডে শহিদ অফিসারদের স্মরণে এক বিশেষ অনুষ্ঠান তিনি এ কথা বলেন।
মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিদেশি শক্তি প্রতিবেশী রাষ্ট্র অবশ্যই জড়িত। এর সঙ্গে এর ব্যর্থতা ও গ্লানি বহন করতে হবে তৎকালীন সেনাপ্রধান মঈন উদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশের মিডিয়া মাঝে মধ্যে ইরেস্পন্সিবল কথাবার্তা বলে। যেটি আমরা ২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারিতে দেখেছি। একজন মহিলা সাংবাদিক নানা ধরনের কল্পকাহিনি প্রচার করছিলেন বিডিআর অফিসারদের অপবাদ দিয়ে। সুতরাং সামরিক বাহিনী ও বিডিআর এর আইন সম্পর্কে জেনে শুনে আপনার রিপোর্ট করবেন বিনতিভাবে এই কথাটা জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা এত বছর ধরে চেষ্টা করেছি এই দিনটিকে যেন শহীদ সেনা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই স্বীকৃতি পাওয়া গেছে। সেজন্য আমি বর্তমান সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে বাংলাদেশের জন্য সামনে আরো কঠিন সময় অপেক্ষা করে আছে।
অনেক সুন্দর একটা বাংলাদেশ দেখার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছিলাম। অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের অনেক কিছু করার আছে। তবুও ধন্যবাদ জানাই জুলাই আগস্ট এর শেষ দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যরা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে এবং মিছিল করেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা যারা সোলজার আছি যতই বয়স হোক প্রয়োজনে আমরা দেশের জন্য জীবন দেব।