• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

পথিকৃৎ

সহপাঠীদের বাঁচাতে প্রাণ দিলেন ১৮ বছরের কিশোর

সহপাঠীদের বাঁচাতে প্রাণ দিলেন ১৮ বছরের কিশোর

সহপাঠীদের বাঁচাতে গিয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর একটি হাই স্কুলের এক ছাত্র। হামলাকারীদের একজনকে প্রতিহত করতে গিয়ে ছাত্রটি প্রাণ হারান বলে তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বিবিসি জানায়, স্কুলে হামলার ঘটনায় ৮ জন ছাত্র আহত হয়েছেন। তবে ১৮ বছর বয়সী কেন্ড্রিক ক্যাস্টিলো বাদে আর কেউ নিহত হয়নি। ডেনভারের একটি শহরতলীতে অবস্থিত একটি স্কুলে এই গুলির ঘটনা ঘটে। বন্দুক হামলার ঘটনায় জড়িত দুজন...

বিপ্লবী ও নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

বিপ্লবী ও নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। ইতিহাস কথা বলে, বলে দেশ, জাতি, বিখ্যাত ব্যক্তিদের কথা। যারা ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। তারা হয়ত মরে গেছে। কিন্তু ইতিহাস তাদের স্থান দিয়ে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে। সেই ইতিহাসের অংশ হয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

অকুতোভয় বীর সৈনিক শহীদ সার্জেন্ট জ‎হুরুল হক   

অকুতোভয় বীর সৈনিক শহীদ সার্জেন্ট জ‎হুরুল হক  

রাজা-মহারাজাদের শাসনামল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত অসংখ্য বীর সেনানি শাসকগোষ্ঠির বিরুদ্ধে অন্যায়ের প্রতিবাদে আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। তাদের মধ্যে কেউ সফল হয়েছেন, কেউবা বিসর্জন দিয়েছেন নিজের প্রাণটাই। তেমনি একজন ব্যক্তিত্ব শহীদ সার্জেন্ট জ‎হুরুল হক।

বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার কারিগর ড. অহিদুজ্জামান

বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার কারিগর ড. অহিদুজ্জামান

প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ক্রান্তিকালে ভিসি হিসেবে তিনি ২০১৫ সালের ২ জুন দায়িত্ব নিয়েছিলেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নিজের দক্ষতা, যোগ্যতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছেন। যেখানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন, সংগ্রাম, সংঘর্ষ লেগেই থাকত সেই ক্যাম্পাসে এখন শিক্ষার মনোরম পরিবেশ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী 

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী 

বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত যে কয়জন সাহিত্যিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুনীর চৌধুরী। তার আসল নাম আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী।তিনি ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার গোপাইরবাগ গ্রামে। তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী।

রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: এক  দু:সাহসিক মানুষের গল্প

রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: এক দু:সাহসিক মানুষের গল্প

সময়টা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকের। গ্রীষ্মের এক বিকেলে কলকাতার নারকেলডাঙা মাঠে প্রায় ৮ হাজার মানুষের জমায়েত। সবার মুখে চাপা উত্তেজনার ছাপ। আর দৃষ্টি মাঠের মাঝখানে রাখা এক বিশাল ফানুসের ওপর। তখন ফানুসটিতে গ্যাস ভরা হচ্ছে। ফানুসের নিচের দিকে রয়েছে একটা ইস্পাতের আংটা। সেই আংটা থেকে ১২ ফুট নিচে ঝুলছে বৃহৎএক ঝুড়ি। এই ঝুড়িতে চেপেই নাকি এক বাঙালি আকাশে উড়বে। ফানুসে গ্যাস ভরা শেষে আংটায় ঝুড়ি ঝুলানো হলো। এরই মধ্যে সাদা রঙের জ্যাকেট আর বেগুনি ট্রাউজার পরা অবস্থায় গলায় দূরবীন ঝুলিয়ে পুরাদস্তুর সাহেবি মেজাজে দর্শকদের মাঝে হাজির হলেন আকাঙ্ক্ষিত সেই বাঙালি।