• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

লাইফস্টাইল

শারীরিক সক্ষমতার সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে

শারীরিক সক্ষমতার সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে

কথায় আছে, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। তবে এটি শুধু কথার কথা নয়, এই প্রবাদের সত্যতা বিভিন্ন সময় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করে নিয়েছেন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ও শারীরিক সক্ষমতার সাথে মানসিক স্বাস্থ্যেরও সম্পর্ক রয়েছে। গবেষকরা বলছেন, শারীরিক সক্ষমতা কম হলে এর ফলে বিষণ্ণতা, অবসাদ ও উদ্বেগের প্রবণতা দেখা দিতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিলে তা শারীরিক সমস্যার মতই

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কতটা অস্বাস্থ্যকর?

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কতটা অস্বাস্থ্যকর?

‘অনিকোফেজিয়া’। দাঁত দিয়ে নিজের নখ যিনি নিজ্যেই কাটেন, তিনি এই ‘অনিকোফেজিয়া’ রোগে আক্রান্ত। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টিনএজ এবং প্রি-টিনএজ বয়সের প্রায় অর্ধেক শিশু কিশোরের মধ্যে এই অভ্যাসটি রয়েছে। তবে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তিই এই অভ্যাসটি ত্যাগ করেন।

অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

তবে অতিরিক্ত ইয়ারফোন ব্যবহারের বেশ কিছু নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন এবং ইয়ারপডের ব্যবহারেরে ফলে কানে ব্যথা, জ্বালা এবং সংক্রমণ জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শব্দ দূষণের ফলে হতে পারে মস্তিষ্কের নানা অসুখ   

শব্দ দূষণের ফলে হতে পারে মস্তিষ্কের নানা অসুখ  

শব্দ দূষণ রয়েছে এমন পরিবেশে বসবাসের ফলে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে অ্যালঝেইমার কিংবা অন্য কোনো ডেমেনসিয়া বা মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় স্মৃতি বিভ্রম, কথা বলার সক্ষমতা হ্রাস, অ্যালঝেইমার প্রভৃতি মস্তিষ্কের রোগের কারণ হিসেবে বেশিক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস, বায়ু দূষণ ও একাকীত্বের পাশাপাশি শব্দ দূষণকেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

ধূমপান ছেড়ে দেয়ার পর কী ঘটে?

ধূমপান ছেড়ে দেয়ার পর কী ঘটে?

ধূমপানের অপকারিতার শেষ নেই, এই বদভ্যাসটির ফলে হৃদরোগ, ক্যান্সার, ফুসফুসের রোগ ও উচ্চ রক্তচাপ সহ নানা ধরণের জটিল সব রোগের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। তাই নিজেকে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান রাখতে ধূমপান ত্যাগ করা অতি প্রয়োজনীয়। ধূমপান ত্যাগ করার মাত্র এক ঘণ্টা পর থেকেই আমাদের দেহ এর সুফল পেতে শুরু করে।

মহামারির এই সময়ে ভ্রমণ করা কি নিরাপদ?

মহামারির এই সময়ে ভ্রমণ করা কি নিরাপদ?

দীর্ঘদিন ধরে ঘরে আটকে থাকা বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতার ফলে আমাদের অনেকের মধ্যে একধরণের একঘেয়েমি ও বিষণ্ণতা দেখা দিয়েছে। ফলে সাপ্তাহিক ছুটি বা অন্য যেকোনো অবসরে মানুষ এখন পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে যেতে উদগ্রীব। অবশ্য অন্যান্য বছরেও শীতকালে আমাদের বেড়ানোর মাত্রা কিছুটা বেড়ে যায়।