• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬
হাজী শরীয়তুল্লাহ : সমাজ সংস্কারক ও সংগঠক

হাজী শরীয়তুল্লাহ : সমাজ সংস্কারক ও সংগঠক

হাজী শরীয়তুল্লাহ, বাংলার একজন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক, সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী। ইসলাম ধর্মের নামে বাংলার সমাজে প্রচলিত নানা কর্মকাণ্ড সংস্কারের উদ্দেশ্যে উনিশ শতকের শুরুর দিকে তিনি ঐতিহাসিক ফরায়েজী আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ইংরেজ ও নীলকরদের কর্তৃক নিপীড়নের শিকার বাংলার কৃষকদের মুক্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অন্যতম পথপ্রদর্শক।

বিস্তারিত
সত্যজিৎ রায়: অস্কারজয়ী প্রথম বাঙালি

সত্যজিৎ রায়: অস্কারজয়ী প্রথম বাঙালি

সত্যজিৎ রায়, একজন শ্রেষ্ঠ বাঙালি চলচ্চিত্রকার। তিনি একাধারে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক ও সঙ্গীত পরিচালক। যে কয়জন ব্যক্তিত্বের হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্র বিশ্ব দরবারে পরিচিত পেয়েছে, তিনি তাদের একজন। কেবল বাঙালি হিসেবেই নয়, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকারদের একজন।

বিস্তারিত
টিপু সুলতান: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ

টিপু সুলতান: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়। ইংরেজরা কেবল বাংলা দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি। দখলদার এই সাম্রাজ্যবাদীরা পুরো ভারতবর্ষ দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। আর তাদের সেই স্বপ্নের পথে যিনি সবচেয়ে বড় কাটা হয়ে ছিলেন, তিনি হলেন মহীশুরের শাসনকর্তা টিপু সুলতান।

বিস্তারিত
আজিজুল হক: আঙ্গুলের ছাপ উদ্ভাবনকারী বাঙালি

আজিজুল হক: আঙ্গুলের ছাপ উদ্ভাবনকারী বাঙালি

ব্যক্তি সনাক্তকরণে বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি হল ফিঙ্গার প্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ)। আমাদের অনেকই জানি না যে, এই অভূতপূর্ব উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছে এক সাধারণ বাঙ্গালির নাম। তিনি হলেন খান বাহাদুর কাজি আজিজুল হক। ১৮৯৭ সালে ব্রিটিশ কর্মকর্তা স্যার এডওয়ার্ড রিকার্ড হ্যানরির তত্ত্বাবধানে কাজ করার সময় তিনি আঙ্গুলের ছাপের গাণিতিক শ্রেণিবিন্যাস উদ্ভাবন করেছিলেন।

বিস্তারিত
প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

১৯৫২ সালে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন আনিসুল হক । শৈশবের বেশ বড় একটা সময় পার করেন ফেনী জেলার সোনাগাজীর আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে তার নানা বাড়ীতে।

বিস্তারিত
রবার্ট পিল: আধুনিক পুলিশের জনক

রবার্ট পিল: আধুনিক পুলিশের জনক

স্যার রবার্ট পিল। একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক রাষ্ট্রনেতা। ১৮৩৪-৩৫ এবং ১৮৪১-৪৬ দুই মেয়াদে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এছাড়া ১৮২২-৩০ মেয়াদে তিনি দুইবার ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ছিলেন ব্রিটেনের আধুনিক কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম একজন। তাকে বলা হয় ‘আধুনিক পুলিশের জনক’।

বিস্তারিত
মেরি কুরি: দুইবার নোবেল জয়ী এক সংগ্রামী নারী

মেরি কুরি: দুইবার নোবেল জয়ী এক সংগ্রামী নারী

মেরি কুরি। ইতিহাসের এক বিস্ময়কর নারীর নাম। যার সংগ্রামী জীবনের গল্প ও সফলতা নিয়ে রচিত হয়েছে বিজ্ঞানের ইতিহাস। ইতিহাসের পাতায় যার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য সম্মাননার পালক। তিনিই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী। শুধু তাই নয়, তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য যাকে যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে বিশ্ব।

বিস্তারিত
ব্ল্যাকওয়েল: মেডিক্যাল ডিগ্রিধারী প্রথম মার্কিন নারী

ব্ল্যাকওয়েল: মেডিক্যাল ডিগ্রিধারী প্রথম মার্কিন নারী

এলিজাবেথ ব্ল্যাকওয়েল। একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ নারী চিকিৎসক ও সমাজ সংস্কারক, যিনি তার জীবনের অধিকাংশ সময়ই মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় ব্যয় করেছেন। তিনি ছিলেন মার্কিন ইতিহাসের প্রথম নারী, যিনি মেডিক্যাল কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেছেন।

বিস্তারিত
তিতুমীর: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী সৈনিক

তিতুমীর: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী সৈনিক

তিতুমীর। যার প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী সৈনিক। উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বীর যোদ্ধা। তিনি সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত তার ঐতিহাসিক বাঁশের কেল্লার জন্য, যেখান থেকে তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম গড়ে তুলেছিলেন। ২০০৪ সালে বিবিসির শ্রোতা জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালিদের তালিকায় তার স্থান ছিল ১১তম।

বিস্তারিত
ড. শামসুজ্জোহা : ৬৯’র প্রেরণার প্রতীক

ড. শামসুজ্জোহা : ৬৯’র প্রেরণার প্রতীক

যে কয়টি সংখ্যা বা সাল বাঙ্গালির হৃদয়ের গভীরে চিরদিন বিরাজ করে তার অন্যতম একটি ঊনসত্তর। এটি বাঙালির কাছে খুব পরিচিত এবং বিখ্যাত একটি সংখ্যা। কেবল সংখ্যাই নয়, এটি বাঙ্গালির কাছে এক অন্যতম প্রেরণার উৎস। ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামের এক মাইল ফলক। আর এই ঐতিহাসিক সংগ্রামের এক বীর সৈনিক শহীদ ড. শামসুজ্জোহা। গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত