© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘২০৩২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব’

শেয়ার করুন:
‘২০৩২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব’
own-reporter
০৬:৩৩ পিএম | ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সংগঠনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ডা. শারমিন ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, মেডিকেল শিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষানবিশদের স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও রোগ প্রতিরোধমূলক বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। শিক্ষাদান পদ্ধতিকে কমিউনিটি ভিত্তিক এবং সমন্বিত করতে হবে। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বিকল্প স্বাস্থ্য সেবাকেও আমাদের মূলধারার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল্যায়নে আনতে হবে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সংগঠনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ডা. শারমিন ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, মেডিকেল শিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষানবিশদের স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও রোগ প্রতিরোধমূলক বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। শিক্ষাদান পদ্ধতিকে কমিউনিটি ভিত্তিক এবং সমন্বিত করতে হবে। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বিকল্প স্বাস্থ্য সেবাকেও আমাদের মূলধারার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল্যায়নে আনতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিকস, টেকনোলজিস্ট এবং  অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদেরও সংখ্যা বাড়িয়ে তাদের দক্ষতা, দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা ও সদিচ্ছার বাস্তব প্রতিফলন ঘটলে ২০৩২ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন আমাদের বাংলাদেশের জন্য অসম্ভব কিছু নয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ডা. এমএস মনসুর আহমেদ।

তিনি বলেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাইকে তার স্বাস্থ্য অধিকার ও সুরক্ষার জন্য একত্রিত হয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ফাতেমা আশরাফ, ইব্রাহীম মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিনের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আবু সাঈদ প্রমুখ।

 

 

 টাইমস/টিআর/এসআই

মন্তব্য করুন