• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭

ভ্রমণ

সীমান্ত হত্যা বন্ধে ৩০০ কিলোমিটার হাটলেন তিন তরুণ

সীমান্ত হত্যা বন্ধে ৩০০ কিলোমিটার হাটলেন তিন তরুণ

পারিবারিক সহিংসতা, সীমান্তে নির্বিচারে মানুষ হত্যা ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে প্রচারণা চালাতে ৩০০ কিলোমিটার পথ হেটে পাড়ি দিয়েছেন তিন তরুণ। জামালপুরের লাউচাপড়া থেকে ‘হাইকিং ফর লাইফ’ নামে হাঁটার এ মিশন শুরু করেছিলেন ওই তিন তরুণ। সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে গিয়ে মিশন শেষ করে তারা। গত ৩১ আগস্ট সকাল ৯টায় জামালপুরের লাউচাপড়া থেকে এ মিশন শুরু করে তারা। তিন তরুণের এই হাইকিং মিশনে

হবিগঞ্জের ‘বিথঙ্গল আখড়া’ : নয়া পর্যটনের হাতছানি

হবিগঞ্জের ‘বিথঙ্গল আখড়া’ : নয়া পর্যটনের হাতছানি

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীনতম ঐহিত্যবাহী ‘বিথঙ্গল আখড়া’। যা বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। ঐতিহাসিক এ নিদর্শনটি দেখতে হবিগঞ্জসহ সিলেট বিভাগের দূরদূরান্ত থেকে প্রতিনিয়তই লোকজন ছুটে আসছে।

হারিয়ে যাওয়া শহরে একদিন

হারিয়ে যাওয়া শহরে একদিন

লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর এবং বাংলার প্রথম রাজধানী হিসেবে খ্যাত পানামনগর। রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত এটি। কলেজ থেকে এই বছরের শিক্ষাসফরের গন্তব্য বারো ভূঁইয়া খ্যাত ঈশা খাঁর রাজধানী। যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক করা হল শুক্রবার (৬ মার্চ)।

থাইল্যান্ড ভ্রমণ: মাদাম তুসো জাদুঘর ও বাংলাদেশে ফিরে আসা (পর্ব-৬)

থাইল্যান্ড ভ্রমণ: মাদাম তুসো জাদুঘর ও বাংলাদেশে ফিরে আসা (পর্ব-৬)

এরপর শুরু হলো আমাদের 'মাদাম তুসো' যাত্রা। আমি ট্যাক্সিতে উঠেও বারবার বলছিলাম আমার 'মাদাম তুসো' তে যাওয়ার একদম ইচ্ছে নেই। কারণ আমি ছোটবেলায় লন্ডনের 'মাদাম তুসো' তে গিয়েছি। সুতরাং আমার যেতে ইচ্ছে করছিলোনা। তবুও আব্বু-আম্মু বুঝালেন ভালো না লাগলে অল্প সময় থেকে চলে আসবো।

থাইল্যান্ড ভ্রমণ : ব্যাংকক এবং 'রিভার ক্রুজ' (পর্ব-৫)

থাইল্যান্ড ভ্রমণ : ব্যাংকক এবং 'রিভার ক্রুজ' (পর্ব-৫)

১৯.১১.২০১৯ তারিখ সকালে উঠে আগের দিনের মত বুফে সিস্টেমে ব্রেক ফাস্ট করলাম জেনিথ সুখোমভিত হোটেলে। এরপরই হোটেল ছাড়বার পালা। আম্মুর কনফারেন্স হোটেলে উঠার তাগিদ ছিল। তাই তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে জেনিথ সুখোমভিত হোটেল থেকে বিদায় নিলাম।

থাইল্যান্ড ভ্রমণ: ব্যাংকক শহর ও সাফারি ওয়ার্ল্ড ভ্রমণ (পর্ব-৪)

থাইল্যান্ড ভ্রমণ: ব্যাংকক শহর ও সাফারি ওয়ার্ল্ড ভ্রমণ (পর্ব-৪)

১৮ নভেম্বর বিকাল চারটায় আমরা পাতায়া থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দেই। সবচেয়ে ভালো লেগেছে যে বিষয়টি সেটা হলো আমরা যে গাড়িতে করে ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম সেই গাড়ির চালক ছিলেন একজন থাই ভদ্রমহিলা। সাধারণত চালকের পাশের আসনে বাবা বসেন। তবে এবার ভদ্রমহিলাকে দেখে অতি আগ্রহে আমিই গিয়ে উনার পাশে বসলাম। ভদ্রমহিলা খুবই মিশুক ছিলেন। আমরা অনেক ক্ষণ গল্প করেছি। এখানে একটা কথা বলে রাখি,আমি আমার নিজের দেশে খুবই অন্তর্মুখী টাইপের হলেও বিদেশে আসলে বেশ কথা বলি এবং অনেক মেশার চেষ্টা করি সবার সাথে। তার কারণ প্রথমত এখানে আমার ভুল ধরার মতো কেউ নেই। তাছাড়া এখানে কেউ আমাকে চিনে না।  সুতরাং ইতস্তত বোধ করার কোনো কারণ নেই। তার সাথে সাথে ইংরেজি চর্চাটা খুব ভালো হয়।