• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬

মতামত

তেভাগা আন্দোলনের আলোয় গ্রাম ও শহরের বিস্মৃতির দুই ধারা

তেভাগা আন্দোলনের আলোয় গ্রাম ও শহরের বিস্মৃতির দুই ধারা

একটি আখ্যান গড়ে ওঠার সময়ে পারিপার্শ্বিকের অনেকটা প্রভাব থাকে। আখ্যানের ইতিহাস আরম্ভ হয় সেই প্রভাব ও উদ্দীপনার পর্যায় থেকে। বিশেষ করে ভারতীয় সাহিত্যের ক্ষেত্রে, প্রথাগতভাবে সাল-তারিখের গণনার থেকে কোন পরিপার্শ্ব সাহিত্যটির অস্তিত্বকে অনিবার্য করে তুলছে, সেই আলোচনা বেশী প্রাসঙ্গিক। অবিভক্ত বাংলার তেভাগা আন্দোলন সেরকমই একটি ঐতিহাসিক উদ্দীপনার নাম, যা বাংলা সাহিত্যে কৃষি-পরম্পরার কথা তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। অবিভক্ত

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ও দুটি প্রস্তাব

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ও দুটি প্রস্তাব

বাংলাদেশ খুব ভাগ্যবতী। কারণ তার বুকে বেড়ে ওঠা তরুণরা এই দেশটার জন্য কিছু করতে চায়। সরকারের উচিত এই তরুণদের আগ্রহ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দুর্দিনে দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ তৈরি করে দেয়া। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করা বাংলাদেশী চিকিৎসক ও গবেষকরা আজ মাতৃভুমি নিয়ে চিন্তিত। কারণ বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এখন লাল সবুজের দেশে।

কোভিড-১৯: যেভাবে বদলে যাবে সমাজের চরিত্র

কোভিড-১৯: যেভাবে বদলে যাবে সমাজের চরিত্র

কোভিড-১৯ রোগটির প্রাদুর্ভাবের পর বদলে যাবে আমাদের চিরচেনা পৃথিবী, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবর্তন আসবে আমাদের জীবনধারা থেকে শুরু করে নানা পর্যায়ে। এমনকি বদলে যাবে বিশ্বের সমাজ বা সম্প্রদায়গুলির চরিত্রও। পরিবর্তন আসতে পারে ব্যক্তিগত চেতনা, ধর্মীয় উৎসব, সরকার, রাজনীতি ও দেশপ্রেমের ধারণায়।

করোনায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিতে আসবে স্থায়ী পরিবর্তন

করোনায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিতে আসবে স্থায়ী পরিবর্তন

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব পরবর্তী সময়ে বিশ্ব ব্যবস্থার স্থায়ী পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে আমাদের চিরচেনা সরকার, সম্প্রদায়, নির্বাচন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অর্থনীতিসহ আরও অনেক কিছুতেই স্থায়ী পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলার পরেও বিশ্ব ব্যবস্থা অনেকটা এভাবেই বদলে গিয়েছিল।

কোভিড-১৯ : সময় গেলে সাধন হবে না

কোভিড-১৯ : সময় গেলে সাধন হবে না

কয়দিন আগেও আমরা কেউ ভাবতে পারি নাই যে, এমন একটা মহাসঙ্কট আমাদের ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করবে। উহানের লোকেরাও ভাবতে পারে নাই, ইতালির মানুষজনও কিন্তু ভাবে নাই। কে কি ভাবল, কে কি ভাবল না তাতে সত্যিই এখন আর তেমন কিছু আসে যায় না। কারণ, করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর প্রাথমিক পর্যায়ে আছি আমরা। কি করে নিজেদেরকে বাঁচানো যায়, সেটাই এখন একমাত্র ভাববার মতো বিষয়। হয়তো এখনো খুব বেশি দেরী হয়ে যায় নাই।

কতটা স্বার্থপর হলে অপরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া যায়?

কতটা স্বার্থপর হলে অপরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া যায়?

সহজভাবে বলতে গেলে ‘কোয়ারেন্টাইন’ বলতে ‘বিচ্ছিন্ন থাকা’ বোঝায়। বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- এই ‘কোয়ারেন্টাইন’ বা বিচ্ছিন্ন থাকা। এর একমাত্র উদ্দেশ্য এই প্রাণঘাতী রোগটির বিস্তার ঠেকানো। এটা নিয়ে বিদেশ ফেরত মানুষদের এতো অনীহা কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন।