• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী 

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী 

ফিচার ডেস্ক১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৫২পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত যে কয়জন সাহিত্যিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুনীর চৌধুরী। তার আসল নাম আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী।তিনি ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার গোপাইরবাগ গ্রামে।

তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী।

মুনীর চৌধুরী ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল (বর্তমান ঢাকা কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে আইএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৪৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স এবং ১৯৪৭ সালে একই বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তিনি ছিলেন সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র।

বক্তৃতা নৈপুণ্যের সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনের প্রথম বছরেই হলের সেরা বক্তা হিসেবে প্রোভোস্ট্স কাপ জেতেন। ১৯৪৬ সালে নিখিল বঙ্গসাহিত্য প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক সংখ্যক পুরস্কার জেতেন। ছাত্রাবস্থাতেই তার লেখা নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল।

১৯৪৯ সালে মুনীর চৌধুরী খুলনার ব্রজলাল কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। একই বছর তিনি লিলি মীর্জাকে বিয়ে করেন। ১৯৫০ সালে তিনি ঢাকার জগন্নাথ কলেজে যোগদেন এবং সেবছর আগস্ট মাসে ইংরেজির অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৫২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভা আহ্বান করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন ও তাকে চাকরীচ্যুত করা হয়। কারাবন্দী হওয়ার পর প্রায় দুইবছর তিনি দিনাজপুর ও ঢাকা জেলে বন্দী জীবনযাপন করেন।

বন্দী অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উৎযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন। এ নাটকটি তার শ্রেষ্ঠ নাটক হিসেবে খ্যাত এবং এর প্রথম মঞ্চায়ন হয় জেলখানার ভেতরে, যাতে কারাবন্দীরাই বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

সঙ্গী কারাবন্দী অধ্যাপক অজিত গুহের কাছ থেকে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্যের পাঠ গ্রহণ করেন, কারাগারে থেকেই ১৯৫৩ সালে বাংলায় এমএ পরীক্ষা দেন ও প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

১৯৫৪ সালে পূর্বপাকিস্তানে যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৫৪ সালে নিরাপত্তা বন্দী থাকা অবস্থায় এমএ শেষ পর্ব পরীক্ষা দিয়ে তিনি কৃতিত্বের সাথে বাংলায় মাস্টার্স ডিগ্রি পাস করেন। ১৯৫৪ সালের ১৫ই নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালের জানুয়ারিতে মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের প্রচেষ্টায় বাংলা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং আগস্ট মাসে বাংলা বিভাগে সার্বক্ষণিক চাকুরী লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের এপ্রিল মাসে বাংলার প্রভাষক হিসেবে তার চাকুরী স্থায়ী হয়। ১৯৫৬ সালের শেষ দিকে বৃত্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ১৯৫৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বে আরও একটি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সে বছর সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৬৯ সালে মুহম্মদ আবদুল হাই অকালে মৃত্যুবরণ করলে তার স্থানে মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান নিযুক্ত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেই মুনীর চৌধুরী বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন, ফলে তার পরীক্ষার ফলাফল এতে ব্যাহত হয়। বামপন্থী রাজনীতিতে অতিমাত্রায় সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সলিমুল্লাহ হল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই কারণে পিতার আর্থিক সাহায্য থেকেও তিনি বঞ্চিত হন। এসময় তিনি ঢাকা বেতার কেন্দ্রের জন্য নাটক লিখে কিছু টাকা পেতেন তা দিয়েই তাকে চলতে হতো। বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৪৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যে প্রথম ছাত্র সভা হয়, তাতে তিনি বক্তৃতা করেন।

মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান সরকারের হাতে বন্দী হন। বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি তার বিখ্যাত নাটক কবর রচনা করেন (১৯৫৩)। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের যেকোন ধরনের সংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। ১৯৬৬ সালে রেডিও ও টেলিভিশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান প্রচারে পাকিস্তান সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ করেন। ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলা বর্ণমালাকে কেরোমান বর্ণমালা দিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিলে তিনি এর প্রতিবাদ করেন। ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময়ে সে আন্দোলনের সমর্থনে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ খেতাব বর্জন করেন।

মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বাংলা টাইপ রাইটারের জন্য উন্নত মানের কী-বোর্ড উদ্ভাবন করেন, যার নাম মুনীর অপটিমা। An Illustrated Brochure on Bengali Typewriter (1965) শীর্ষক পুস্তিকায় তিনি তার পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন এবং এই নতুন টাইপ রাইটার নির্মাণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকবার পূর্ব জার্মানিতে যান।

মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় কবর নাটকটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা-সংস্কার কমিটির রিপোর্টের অবৈজ্ঞানিক ও সাম্প্রদায়িক বিষয়বস্তুর তীব্র সমালোচনা করে মুনীর চৌধুরী পূর্ব বঙ্গের ভাষা কমিটির রিপোর্ট আলোচনা প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ ভাষাতাত্ত্বিক প্রবন্ধ লেখেন। ১৯৫৯ সালের ২৭ এপ্রিল প্রবন্ধটি বাংলা একাডেমিতে পঠিত হয়। তিনি বেশ কিছু মৌলিক ও অনুবাদ নাটক লেখেন। অনেকগুলি প্রবন্ধের সংকলন ও প্রকাশ করেন। মীরমানস (১৯৬৫) প্রবন্ধ সংকলনের জন্য দাউদ পুরস্কার এবং পাক-ভারত যুদ্ধ সম্পর্কে লেখা সাংবাদিকতা সুলভ রচনা-সংকলন রণাঙ্গন (১৯৬৬)-এর জন্য সিতারা-ই-ইমতিয়াজ উপাধি লাভ করেন।

১৯৬৭-৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা বর্ণমালা ও বানান-পদ্ধতির সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে প্রবন্ধ লেখেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ক বিতর্কে সক্রিয় অংশ নেন।

তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে- রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, কবর, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য, কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা, মুখরা রমণী বশীকরণ, মীর মানস, রণাঙ্গন, তুলনামূলক সমালোচনা, বাংলা গদ্যরীতি প্রভৃতি।

১৯৭১ সালের মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুনীর চৌধুরী ফিরে আসার কিছুকাল পরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তার কিশোর ছেলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চলে যায়। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আদেশে মে-জুন মাসে ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসেবে এবং জুলাই মাস থেকে কলা অনুষদের ডীন হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর মুনীর চৌধুরীকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীদের সহযোগী আল-বদর বাহিনী তার বাবার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

টাইমস/এমএএইচ/এইচইউ

কারাবন্দীদের নাস্তায় যুক্ত হলো মুখরোচক খাবার

কারাবন্দীদের নাস্তায় যুক্ত হলো মুখরোচক খাবার

কারাগার প্রতিষ্ঠার পর সেই ব্রিটিশ আমল থেকে একই মেন্যুতে সকালের নাস্তা খেয়ে আসছেন বাংলাদেশের কারাবন্দীরা। অবশেষে সেই ব্রিটিশ আমল থেকে কারাবন্দীদের জন্য বরাদ্দ সকালের নাস্তার মেন্যু পরিবর্তন হল। রোববার (১৬ জুন) থেকে তাদের মেন্যুতে যুক্ত হচ্ছে মুখরোচক কিছু খাবার। কারাগার সূত্রে জানা যায়, কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় একটি মেন্যু ছিল।

২৮ মার্কিন পণ্যে শুল্ক বসালো ভারত   

২৮ মার্কিন পণ্যে শুল্ক বসালো ভারত  

আপেল, অ্যালমন্ডসহ ২৮ টি মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। ভারতের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সুবিধা তুলে নেওয়ায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিলো দিল্লি। রোববার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন এই শুল্ক হার সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে। খবর বিবিসির।

তুচ্ছ ঘটনায় মা-কে হত্যা করল ছেলে

তুচ্ছ ঘটনায় মা-কে হত্যা করল ছেলে

ঘটনা গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুম্মারবাড়ি ইউনিয়নের উত্তর বগারভিটা গ্রামের। শনিবার রাত আটটার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মা তাহেরা বেগমের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান ছেলে কালাম শেখ। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে কালাম তার মায়ের পাঁজরে ছুরিকাঘাত করেন। তাহেরা বেগমকে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

জাতীয়

কুষ্টিয়ায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল দু'জনের

কুষ্টিয়ায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল দু'জনের

কুষ্টিয়ায় পৃথক স্থানে ট্রাকের নিচে চাপায় দুই সাইকেলের আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কে ভেড়ামারার বারোমাইল মতিয়া ফিলিং স্টেশন ও কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়কের ভাদালিয়া এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক

কিশোর মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড থেকে সরে এল সৌদি

কিশোর মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড থেকে সরে এল সৌদি

সৌদি আরবে ১৩ বছর বয়সে আটক মুর্তজা কুরেইরিসকে দেয়া মৃত্যুদণ্ড দেশটির সরকার বাতিল করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির এক কর্মকর্তা। শনিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান ওই কর্মকর্তা। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি।

জাতীয়

কুমিল্লায় সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

কুমিল্লায় সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

কুমিল্লায় সদর দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী মথুরাপুর এলাকায় শনিবার রাত আড়াইটার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)’র সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন।

উক্তি প্রতিদিন

“দুঃখের সময় প্রকৃত  বন্ধু ভালোবাসা প্রদর্শন করে”

“দুঃখের সময় প্রকৃত বন্ধু ভালোবাসা প্রদর্শন করে”

প্রাচীন গ্রিক কবি ও নাট্যকার ইউরিপিডিস (খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০-৪০৬)। বিখ্যাত গ্রিক ট্র্যাজেডির তিন রচয়িতার মধ্যে তিনি একজন। ইউরিপিডিসের জন্ম এথেন্সের একটি দ্বীপ অঞ্চলে। অল্প বয়স থেকেই তিনি কবিতা ও নাটক লেখা শুরু করেন। ইউরিপিডিসের নাটকে উঠে আসে সমকালীন রাজনীতির উত্থান-পতন ও নতুন জীবনদর্শনের বিষয়।

জাতীয়

টেকনাফে র‌্যাবের গুলিতে তিনজন নিহত

টেকনাফে র‌্যাবের গুলিতে তিনজন নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে‌’ তিন মাদক কারবারি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং-বাহারছড়া সড়কের পাহাড়ি ঢালা নামক এলাকায় কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়।

পথিকৃৎ

আবুল মনসুর আহমদের সংক্ষিপ্ত জীবনী

আবুল মনসুর আহমদের সংক্ষিপ্ত জীবনী

বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব আবুল মনসুর আহমদ। বাঙালির উন্নতি এবং সকল ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে যে সকল সমাজ সংস্কারক এগিয়ে এসেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। আবুল মনসুর আহমদ বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা।