বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, শুধুমাত্র বিএনপির হাতেই দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপত্তা নির্ধারিত। বলেন, আমরা ভোটাধিকার নিয়ে এসেছি, এখন প্রয়োগের অপেক্ষায় দেশবাসী।
রোববার (৩০ নভেম্বর) পুরানা পল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের আগে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আশ্বস্ত করতে চাই, খালেদা জিয়ার সকল সন্তানেরা দেশে আছেন। তারা তাদের মায়ের পাশে আছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, দলের নেতাকর্মীদের কাছে অনুরোধ বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করুন, হাসপাতালে ভিড় না করে। আমরা দেশনেত্রীকে আমাদের মাঝে ফেরত চাই, আল্লাহ নিশ্চয় মজলুমের কথা শুনে থাকেন।
এর আগে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে তবে কোনো প্রভু নাই। তৎকালীন সরকার তাকে মাইনাস টু ফর্মূলায় তাকে দেশের বাইরে পাঠাতে চাইলেও তিনি যাননি বলেও জানান তিনি।
মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, জেলে থাকার সময় তাকে অপচিকিৎসা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি বলেছিলেন এক মিনিটের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেবে না। তিনি দেশের মানুষকেও শান্তিতে থাকতে দেয় নাই।
দেশের কাদিয়ানীদের ২য় সংস্কার এসেছে তারা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায়-এ কথা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা বিরাট ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। এরা দেশের মঙ্গল কোনোদিন চায় নাই ৭১ এ বিরোধিতা করেছে, এখন ধর্মের কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্পর্কে মির্জা আব্বাস বলেন, আমি কটুক্তি করতে চাই না, তবে আপনার মধ্যে দেশপ্রেম আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ দেশপ্রেম থাকলে তিনি বিভাজনের রাজনীতি করতেন না।
একই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ না। যারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে নির্বাচনের পর তাদের অবস্থান হবে হাঁটুর নিচে।
আইকে/এসএন