বিদ্যুৎকে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়াতে দেখা গিয়েছে এই ভিডিয়োয়। কখনও আবার তাঁকে বরফের মধ্যে নিজের গলা পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিয়ো দেখেই কটাক্ষ রোজ়লিনের।
নগ্ন হয়ে গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়াচ্ছেন। নিজের এমনই একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন বিদ্যুৎ জামওয়াল। তাঁর দাবি, নিজের আত্মার খোঁজে প্রকৃতির মাঝে এই ভাবে বিলীন হয়েছেন তিনি। তবে বিদ্যুতের এই ভাবনার সঙ্গে সহমত নন রোজ়লিন খান। তিনি কড়া ভাষায় বিদ্যুতের নিন্দা করেছেন। নগ্নতা কখনওই সাহসিকতার প্রতীক হতে পারে না বলে দাবি রোজ়লিনের।
বিদ্যুৎকে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়াতে দেখা গিয়েছে এই ভিডিয়োয়। কখনও আবার তাঁকে বরফের মধ্যে নিজের গলা পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে দেখা গিয়েছে। এই দেখে রোজ়লিনের কটাক্ষ, “বিদ্যুৎ জামওয়াল, আমার ভাই, নগ্ন হওয়ার মধ্যে কোনও সাহসিকতা নেই।
কিছু মানুষ টাকার জন্য নগ্ন হয়। কিন্তু আপনি তো রোমাঞ্চের জন্য নগ্ন হয়েছেন। অসাধারণ কাজ। আপনাকে তো ভারতরত্ন দেওয়া উচিত।”
এখানেই শেষ নয়। রোজ়লিনের প্রশ্ন, “এখানেই থামলেন কেন? নগ্ন হয়ে তো চাঁদেই চলে যেতে পারতেন। কী মূর্খামি! ইনি আমাদের বোঝাতে চান, তিনি কোনও কিছুকেই ভয় পান না। কোনও পোশাক না পরে এই বার্তা দিতে চান তিনি। সত্যিই এই বলিউডের কাছে নগ্নতা আর বিতর্কিত ঘটনা ছাড়া আর কিছুই নেই।”
প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট সময়ে শহরের বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে নাকি নিজের আত্মার খোঁজে বেরোন অভিনেতা। প্রকৃতির বুকেই নিজেকে গড়েপিটে নিতে চান তিনি। বিদুৎ লিখেছিলেন, ‘‘একজন কালারিপায়াত্তুর ছাত্র হিসেবে বছরের একটা সময় প্রকৃতির মধ্যে নিজেকে মেলে ধরি। একে ‘সহজা’ বলে। ‘সহজা’ মানে প্রাকৃতিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং সহজাত প্রবৃত্তির অবস্থায় ফিরে আসা, প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ এবং অভ্যন্তরীণ সচেতনতার মধ্যে জীবনযাপন করা।’’