বিতর্ক ছাড়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরু হবে, তা কি করে হয়! প্রতি আসরেই কোনো না কোনো বিতর্ক সঙ্গী করেই মাঠে গড়ায় দেশের একমাত্র এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। এবারের আসর মাঠে গড়ানোর একদিন আগে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ছেড়ে দেয় ট্রায়েঙ্গেল সার্ভিসেস। এরপর দলটির দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় হাবিবুল বাশার সুমনকে। আর দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব পান মিজানুর রহমান বাবুল।
নতুন ম্যানেজমেন্টের অধীনে শুরু থেকেই দারুণ পারফর্ম করছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সিলেট পর্বে ৭ ম্যাচের ৫টিতেই জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করেছে প্লে-অফ। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত তারা আছে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে।
শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছিলেন চট্টগ্রামের উইকেটরক্ষক ব্যাটার রসিংটন। ৬ ম্যাচে করেছেন ২৫৮ রান। তবে আঙুলের চোটে বিপিএলের চলতি আসর থেকে ছিটকে যান এই ইংলিশ ক্রিকেটার। তার বিকল্প খুঁজতে ইংল্যান্ডের দুই তারকা ফিল সল্ট ও অ্যাডাম লাথামের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন।
‘রসিংটন যেভাবে ব্যাটিং করতো, ওকে ঘিরেই আমাদের ব্যাটিংটা আবর্তিত হতো। নাঈম শেখও ওকে পাশে পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতো। ওর না থাকাটা আমাদের অনেক বড় ধাক্কা। কিন্তু আমরা এটা নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। কারণ, এছাড়া আমাদের আর বিকল্প নেই। বিকল্প খেলোয়াড় তো নিতেই হবে।’
পাকিস্তানের ব্যাটার মোহাম্মদ হারিসের সঙ্গে তাদের কথা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন হাবিবুল বাশার। ‘আমরা লাথাম, ফিল সল্টসহ বেশ কিছু বড় খেলোয়াড়দের চেষ্টা করেছি; কিন্তু ওদের এখন পাওয়া যাবে না। এই মুহূর্তে আমরা মোহাম্মদ হারিসের সাথে কথা বলছি, পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যান এবং উইকেটরক্ষক। ওর সাথে মোটামুটি কথা এগিয়েছে, সম্ভবত হারিস চলে আসবে।’
বিপিএলের গত আসরে পারিশ্রমিক নিয়ে সমালোচনা হয়েছে অনেক। কিন্তু এবার পারিশ্রমিক নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হচ্ছে না ক্রিকেটারদের। সব দলই যথা সময়ে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে। চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদেরও পারিশ্রমিক নিয়ে চিন্তা করতে হবে না বলে জানিয়েছেন হাবিবুল বাশার।
‘আমরা অনেক বেশি সন্তুষ্ট। চট্টগ্রাম রয়্যালসের পারিশ্রমিক বিসিবি পরিশোধ করছে। বিসিবির পরিশোধে অনেক নথিপত্রের কাজ থাকে। ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিশোধে মালিক চেক দিলে টাকা পাওয়া যায় কিন্তু বিসিবিতে ব্যাংকিং লেনদেনসহ অনেক পক্রিয়া থাকে। আমরা নগদ অর্থ পরিশোধ করতে পারি না। এজন্য একটু সময় লাগে। তবে খেলোয়াড়রা জানে টাকাটা নিশ্চিত পাবে।’
এমআই/টিএ