খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বাসস্থান পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই ভূমির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট ভূমির মধ্যেই আমাদেরকে সবকিছু করতে হয়। ভূমির এই অস্বাভাবিক অপ্রতুলতাই আমাদের সর্বপ্রথম চ্যালেঞ্জ।’
আজ বুধবার রাজধানী ঢাকার এক হোটেলে ‘বাংলাদেশে ভূমি অধিগ্রহণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অধিগ্রহণ কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ’- শীর্ষক এক মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। ভূমি মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।
ভূমি উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এখনো দেখতে পাই, যেখানে ভূমির প্রয়োজন নেই সেখানেও ভূমি অধিগ্রহণ করে অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো বহুমাত্রিক।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ার যে কারণগুলো দেখানো হয় সেখানে বিরাট একটি অংশে দেখানো হয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া। ভূমি অধিগ্রহণের ফলে যার পূর্বপুরুষের সম্পত্তি চলে যাচ্ছে, সে-ই বুঝতে পারে যে তা মানসিকভাবে কতটা পীড়া দেয়।’
ভূমির অপচয়ের দিকটি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘একটি সংস্থার কাছে ৬ হাজারের বেশি জমি অব্যবহৃত আছে। রাস্তার পাশে একটি গেস্ট হাউজ করার জন্যে এক একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। একটু সুন্দর দেখানোর জন্য এতবড় জমি নেওয়া হয়েছিল।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভুটান ও বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার গেইল এইচ. মার্টিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এমদাদুল হক চৌধুরী।
‘বাংলাদেশে ভূমি অধিগ্রহণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অধিগ্রহণ কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ’- শীর্ষক জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন সেন্টার ফর এনভায়ারমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এর ড. হাফিজা খাতুন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
এসকে/টিএ