বাংলাদেশে এসেছিল বিশ্বকাপ ট্রফি। তা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ সবাই। আগামী প্রজন্ম ঠিকই একদিন বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে নেবে বলে বিশ্বাস আছে এই মিডফিল্ডারের। জামালের মতো একই প্রত্যাশা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর।
অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন কাতার প্রবাসী এক বাংলাদেশির ভিডিওতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘অবশ্যই, বাংলাদেশ একদিন ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে।
ফিফার লক্ষ্যই হলো, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশকেও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া। আগামী বছরের এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই কয়েকটি দল অংশ নিতে যাচ্ছে, যারা আগে কখনো খেলেনি। আমাদের এখানে আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দ, কনক্যাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও রয়েছে। আমাদের এখানে উজবেকিস্তান রয়েছে, যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে এবং জর্ডান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে।’
‘বাংলাদেশ ফুটবলের দারুণ এক দেশ, যেখানে ফুটবল বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তাদের অবশ্যই একটি সুযোগ আছে। বাংলাদেশ ফুটবল ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বেড়ে উঠতে ফিফা প্রচুর বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব জায়গায় প্রতিভা রয়েছে এবং আমরা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখার অপেক্ষায় আছি।’
ফিফা সভাপতি আশাবাদী হলেও বাস্তবতা ভিন্ন বাংলাদেশের। ছেলেদের ফুটবলে লাল-সবুজদের সর্বোচ্চ সাফল্য সেই ২০০৩ সালে। বর্তমান দলে জামাল ভুঁইয়া, হামজা দেওয়ান চৌধুরী, শামিত শোমদের মতো তারকা খেলোয়াড়রা যুক্ত হলেও বড় কোনো সাফল্য আসছে না। ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও অবস্থান একেবারে শেষ দিকে। ১৮০তম দল বাংলাদেশ।
এমআই/টিএ