যেকোনো বিপদে-আপদে কড়াইলবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় কড়াইলবাসী আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়ে এ অঙ্গীকার করেছেন তারেক রহমান। দোয়া মাহফিলে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় মা-বোনদের শিক্ষার প্রসারে বিনামূল্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকাকালীন দেশবাসী তার নেতৃত্বে বহু উপকার পেয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্তান, বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে। কিন্তু এই পরিচয়ের চেয়েও বড় পরিচয় হলো, আমি বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি।’ তিনি কড়াইলবাসীসহ দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানান, সবাই যেন আল্লাহর দরবারে একসঙ্গে হাত তুলে দেশের কল্যাণ কামনা করেন।
তারেক রহমান ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, মা-বোনদের স্বাবলম্বী ও নিরাপদ চলাচলের জন্য পরিবার কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চান তিনি। আল্লাহ তওফিক দিলে কৃষকদের জন্যও পরিবার কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়ন করব।’
করাইল বস্তিবাসীর সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার যেমন সন্তান আছে, আপনাদেরও সন্তান আছে। আমরা চাই করাইলের সন্তানরা বিদেশি ভাষায় কথা বলতে শিখুক, উন্নত চিকিৎসাসেবা পাক।’ এ জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এলাকার আবাসন সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, সবাই যাতে থাকার সুযোগ পায়, সে জন্য ছোট ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই এলাকায় একটি ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তাদের সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের স্মৃতিচারণা করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি আগে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় থাকতাম। সেই বাড়ি যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা আমি ভুলিনি।’ এসব অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট বোঝেন এবং করাইলবাসীর জন্য কাজ করতে চান বলে জানান।
স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সাম্প্রতিক ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, সবার জন্য দোয়া কামনা করেন তারেক রহমান।
ইউটি/টিএ