বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ৪৫-এও মেদহীন চেহারা ও জেল্লাদার ত্বক ধরে রেখেছেন। এই বয়সেও তার রূপ দেখে চোখ ফেরানো কঠিন। কোনো রকম মেকআপ ছাড়াই তার উজ্জ্বল মুখ সবার নজর কাড়ে। কিন্তু এই ডিভা কোনো নামিদামি প্রসাধনী ছুঁয়েও দেখেন না। ডায়েট, এক্সারসাইজ ও ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্নের ওপর জোর দেন তিনি। ফেসপ্যাকও নিজেই তৈরি করে থাকেন অভিনেত্রী।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কারিনা কাপুরের সৌন্দর্যের রহস্য কোথায়—
১. প্রতিদিন কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করে থাকেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন, সময়ে সময়ে পানি খেতে কখনই ভোলেন না তিনি।
২. কারিনা কাপুর বাইরের কোনো খাবার খান না। সবসময় বাড়ির তৈরি খাবার খেয়ে থাকেন। একদম দেশীয় খাবার পছন্দ করেন তিনি। খিচুড়ি হলো তার কমফোর্ট খাবার। পাঞ্জাবি হওয়ায় ভালোবাসেন ঘি খেতে। তবে তিনি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর অন্তর খাবার খেয়ে থাকেন। এড়িয়ে চলেন বিঞ্জ ইটিং।
৩. ছুটির দিনে আমন্ডের তেল মাখেন কারিনা কাপুর। টকদইয়ের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মাখতে ভালোবাসেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, শুষ্ক ত্বকের জন্য এই যুগলবন্দি ভীষণ উপযোগী।
৪. মেকআপ করার আগে একটি বিশেষ শিট মাস্ক ব্যবহার করে থাকেন কারিনা কাপুর। তবে এই মাস্ক তিনি নিজেই তৈরি করে থাকেন। একটি সাধারণ পেপার ন্যাপকিনকে বরফ গলা পানিতে ডুবিয়ে নেন। এরপর অতিরিক্ত পানি নিঙরে নিয়ে ওই পেপার ন্যাপকিন মুখে লাগিয়ে নেন। এই হোমমেড শিট মাস্ক ত্বক রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মুখ উজ্জ্বল দেখায়। আর এতে মেকআপ ব্লেন্ডও খুব ভালো হয়।
৫. এ ছাড়া ত্বক ভালো রাখতে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করে থাকেন অভিনেত্রী। চন্দন গুঁড়া, ভিটামিন ই ও হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করেন তিনি। এই ফেসপ্যাক ট্যান তুলতে এবং ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।
এমকে/এসএন