মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর চাঁদাবাজির যে পরিচর্যা করা হয়েছে, মাদক ও সন্ত্রাসকে লালন করা হয়েছে, ৫ আগস্টের পর দুই মাস চাঁদাবাজ মুক্ত করতে আমি স্পেশাল টিম করেছিলাম।

হটলাইন খুলেছিলাম। দুটি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছিলাম। চাঁদাবাজির খবর পেলেই আমরা পুলিশ নিয়ে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়েছি। এই দুই মাস আমার এলাকা শান্ত ছিলো। যখনই দায়িত্ব প্রত্যাহার করলাম তখন পুলিশও অফ হয়ে গেলো। আবার শুরু হলো চাঁদাবাজি। এতে প্রায় সব দলই জড়িত হলো। আমি যাদের নিয়ে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করবো তারা চায় সংস্কার। তারাও জড়িত এই চাঁদাবাজিতে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। উল্লেখ্য, মির্জা আব্বাসও বিদ্যালয়টির ছাত্র ছিলেন। 

মির্জা আব্বাস বলেন, ২৪-এর আন্দোলনে আমিসহ বিএনপির সব নেতাকর্মী অংশ নিয়েছে। তবে, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ আর ২৪ এক করা যাবে না। কারণ, ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে, আর ২৪ স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন। আমরা এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ সব আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে আমরা অনেক সন্তান, ভাই এবং পিতাহারা হয়েছি। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে আলাদা করে দিতে হবে মন্তব্য করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলেদের ধ্বংস ও নষ্ট করতে একটি গোষ্ঠী এবং একটি দেশ তৎপর।

একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে প্রথমেই লেখাপড়া ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। 

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের উন্নত বিকাশ ঘটাতে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। বেশি করে বই পড়তে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া মাদকের মতো একটি মারাত্মক রোগ। এটি মাদকের মতো সন্তানদের বিপথগামী করছে।

আরআই/টিকে

Share this news on:

সর্বশেষ

মডেলিং পেশায় আগ্রহীদের জন্য আফরিনের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ Jan 24, 2026
বড় মাথার কানটা ধরে টান দিবো, চুনোপুটিকে ধরবো না: জামায়াত আমির Jan 24, 2026
img
জুলাই যোদ্ধাদের নতুন অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘অভ্যুত্থান বাস্তবায়ন আন্দোলন’ Jan 24, 2026
img
দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে ওরা গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর Jan 24, 2026
img
এবারও সংসদে ঢুকবে ৪৫ চোর : হাসনাত Jan 24, 2026
img
আমি জীবিত থাকলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকবে : শামা ওবায়েদ Jan 24, 2026
img
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পরিপত্র জারি ইসির Jan 24, 2026
img
আধিপত্যবাদের ছায়াও বাংলাদেশে রাখা হবে না, অনেকে নাক গলিয়েছেন আর না: জামায়াত আমির Jan 24, 2026
img
শিডিউল নেই শাকিবের, কবে আসছে ‘তুফান ২’? Jan 24, 2026
img
সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর রহনপুর-রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক Jan 24, 2026
img
আমরা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য: জোনায়েদ সাকি Jan 24, 2026
img
হাতিয়ায় এনসিপিতে যোগদিলেন বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী Jan 24, 2026
img
জেমস ক্যামেরন কেন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লেন? Jan 24, 2026
img
সংগীতশিল্পী জুবিনের মৃত্যুরহস্যে মোদীর হস্তক্ষেপ চাইল পরিবার Jan 24, 2026
img
ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি হারলে তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত হেরে যাবে: রাশেদ খাঁন Jan 24, 2026
img
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২: রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৯ Jan 24, 2026
img
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান সালামের Jan 24, 2026
img
সবাই আ. লীগের ভোট চাইছে, কিন্তু জাতীয় পার্টি চাইলে অপরাধ: জিএম কাদের Jan 24, 2026
img
একসঙ্গে বড় পর্দায় আসছেন নিশো-মেহজাবীন Jan 24, 2026
img
বাংলাদেশের নাম মুছে আইসিসির নতুন বিশ্বকাপ সূচি Jan 24, 2026