বাগেরহাট-১ আসন (মোল্লাহাট–ফকিরহাট–চিতলমারী) থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল বলেছেন, ‘আমি কোটিপতি হতে চাই না, আপনাদের সেবক হতে চাই। আপনারা যদি আমাকে সেই সুযোগ দেন, তাহলে এ এলাকার কৃষির উন্নয়ন, কেন্দুয়া ও কোদালিয়া বিলের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বেকার সমস্যা সমাধানে কাজ করব।’
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোল্লাহাট উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত নাশুখালী আঞ্চলিক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কপিল কৃষ্ণ মন্ডল আরো বলেন, ‘বিএনপি কখনোই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেনি বরং বারবার আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
অতীত সরকার একবারও এসব অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। এ দেশে হিন্দু ও মুসলমান যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘জামায়াত মসজিদে ইসলামী আলোচনার নামে রাজনীতি করে।
বেহেশতের টিকিট বিক্রির মতো ভণ্ডামির মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় আসতে চায়। এসব অপকৌশল জনগণ আর গ্রহণ করবে না।’
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন আল রশীদ বলেন, ‘বিএনপির প্রার্থী মানেই আমাদের সবার প্রার্থী। দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে কপিল কৃষ্ণ মন্ডলকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে জাতীয় সংসদে পাঠাতে হবে।
’ আর যদি তা না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। তাই সকল কষ্ট, ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।
গাওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ফকির কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মেজবাহ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো. মুরাদ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা মাসুদ আলম, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পাভেল মাহমুদ পরশ, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হেদায়েত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা তরিকুল ইসলাম রাসেলসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।
টিজে/টিএ