ভারতের চলচ্চিত্র জগতে এমন কিছু অভিনয় রয়েছে, যা শুধু জনপ্রিয়তা নয়, দর্শকের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে এবং সিনেমার মানককেই নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। এখানে ভারতের সুপারস্টারদের এমনই কিছু উল্লেখযোগ্য চরিত্রের দিকে চোখ দেওয়া হলো, যেগুলো তাদের ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায় খুলেছে।
শাহরুখ খানের অভিনয় জগতে বহু চিরস্মরণীয় চরিত্র রয়েছে। ‘বীর-জারা’ ছবিতে তার অভিনয় প্রেম ও ত্যাগের চিরন্তন গল্প হিসেবে দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। দেবদাস বা চক দে! যত চরিত্রই তিনি করেন, ‘বীর-জারা’ তার মধ্যে আবেগের দিক দিয়ে বিশেষ।
সলমন খানের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবিতে তিনি পবন চরিত্রে অভিনয় করে কোটি কোটি মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছেন। কোমলতা, মানবিকতা এবং আবেগের সংমিশ্রণে এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম হৃদয়স্পর্শী ভূমিকা।
আমির খানের ‘লাগান’ ছবিটি শুধু সিনেমা নয়, বরং একটি আন্দোলন। নেতৃত্ব, নাটক এবং দেশভক্তির সমন্বয় দিয়ে তিনি ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক অস্কার প্রাপ্তির সুযোগ এনে দিয়েছেন।
রণবীর কাপুর ‘সঞ্জু’তে অভিনয় করে সঞ্জয় দত্তকে পর্দায় পুনরায় জীবন্ত করে তুলেছেন। শিশুসুলভ নির্দোষ থেকে মানসিক বিপর্যয় পর্যন্ত তার অভিনয় এক প্রজন্মে একবারের মতো সাফল্য পেয়েছে।
রণবীর সিং ‘পদ্মাবত’-এ আলাউদ্দিন খিলজির চরিত্রে এমনভাবে প্রবেশ করেছেন যে দর্শক মনে রেখেছে ভয়ানক ও অনিন্দ্যসুন্দর ভিলেনের এক অনন্য রূপ। পুরো সিনেমাতেই তার চরিত্র দর্শকের মন দখল করেছে।
প্রভাস ‘বাহুবলী’-তে অভিনয় করে ভারতজুড়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। পর্দার ভিতরে ও বাইরে সম্রাটের মতো রাজত্ব করেছেন। কোনো কথাই যথেষ্ট নয়, পুরো দেশকে এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন।
যশ ‘কে.জি.এফ.’-এ রকি ভাই চরিত্রে পর্দার পরিসরে নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছেন। জাতীয় স্তরে দেরিতে আসলেও তার প্রভাব সর্বাধিক। সামনের ছবিতে আরও বড় আঘাতের আশায় দর্শক অধীর।
এই তালিকা ভারতের সিনেমার কিছু শ্রেষ্ঠ অভিনয়কে সম্মান জানাচ্ছে। পরবর্তী অংশে আরও কিছু অভিনয়কে তুলে ধরা হবে, যা দর্শক ও সমালোচকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে আছে।
এমকে/এসএন