নতুন বছর শুরু হতেই একের পর এক বিয়ের খবরে মুখর হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যম। সেই তালিকায় অভিনেতা হিরণের বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শুভেচ্ছায় ভরে গিয়েছিল নেটপাড়া। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন অভিনেতা। মুহূর্তেই পরিস্থিতি বদলে যায়, শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।
জানা যায়, স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানতে পেরেই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যান হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন এবং আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। অনিন্দিতার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিনেতা হিরণ ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা দু’জনের বিরুদ্ধেই জামিন অযোগ্য মামলা রুজু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে হিরণ ও অনিন্দিতার একটি ফোনে কথোপকথনের অডিও-ভিডিও। ওই কথোপকথনে শোনা যায়, হিরণ দাবি করছেন তিনি ডিভোর্স দিতে রাজি ছিলেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে অনিন্দিতা ডিভোর্স নিতে অস্বীকার করেন। পাশাপাশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিনেতা।
এর জবাবে অনিন্দিতা বলেন, হিরণের ম্যানিপুলেশন তিনি ভালো করেই বোঝেন। তিনি আরও জানান, আইনি পথে গেলে হিরণ বড় বিপদে পড়তে পারেন। অনিন্দিতার স্পষ্ট দাবি, হিরণ একজন পলিগ্যামিস্ট এবং সেই সত্য সকলের কাছেই পরিষ্কার।
অন্যদিকে হিরণের বক্তব্য, দু’জন মানুষ একসঙ্গে থাকতে না পারলে ডিভোর্স নেওয়া অন্যায় কিছু নয়। ডিভোর্সের পর আর্থিক দায়িত্ব ও গয়না দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তবে অনিন্দিতার পালটা প্রশ্ন, ১৭ বছরের মেয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ২১ বছরের এক তরুণীকে বিয়ে করলেন হিরণ এই প্রশ্নের উত্তর অভিনেতাকে দিতেই হবে।
পুরো ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে। নানা মতামত, প্রশ্ন ও বিতর্কে উত্তাল নেটদুনিয়া। যদিও এই বিতর্ক কিংবা নিজের বিয়ে নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অভিনেতা হিরণ।
এমকে/টিএ