সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
বৃহস্পতিবার দশমিনা উপজেলা সহকারী রিটার্নি অফিসারের কাছে অ্যাডভোকেট এনামুল হকের দাখিল করা অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি (সিভিল জজ, বরিশাল) সাব্বির মো. খলিদ এ আদেশ জারি করেন।
অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচনি প্রচারের সময় নুরুল হক নুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন সম্পর্কে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করেছেন, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১৫(ক) এবং ১৬(গ)(ছ) লঙ্ঘন করেছেন।
এছাড়া অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজার সেন্টারে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনের নির্বাচনি কার্যালয়ে নুরুল হক নুরের অনুসারী কর্মী-সমর্থকেরা হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় হাসান মামুনের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আহত হন, যা আচরণ বিধিমালার ৬(ক) ধারার পরিপন্থি।
উক্ত অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর আগে নুরুল হক নুরকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় দশমিনায় অবস্থিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় (সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দশমিনা) সশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সাবেক ডাকসু ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, বিএনপি জোট প্রার্থী নুরুল হক নুর দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আইনি নোটিশ হাতে পাইনি। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখেছি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নোটিশ পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশ্যই হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেব।’
এমআই/টিএ