প্রথম ঘণ্টায় আর্সেনালের পারফরম্যান্স আশানুরুপ হয়নি। তবুও দুই গোলে এগিয়ে যায় তারা। পরে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে আরও দুবার জালে বল পাঠিয়ে বড় জয় পেল মিকেল আর্তেতার দল।
লিডস ইউনাইটেডের মাঠে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৪-০ গোলে জিতেছে আর্সেনাল। তাদের তিন গোলদাতা মার্তিন সুবিমেন্দি, ভিক্তর ইয়োকেরেশ ও গাব্রিয়েল জেসুস; অন্যটি স্বাগতিক গোলরক্ষকের আত্মঘাতী
প্রিমিয়ার লিগে তিন ম্যাচ পর জয়ের স্বাদ পেল আর্সেনাল। আগের তিন রাউ্ডে তারা দুটি ড্রয়ের পর হেরেছিল সবশেষ ম্যাচে। ২৪ ম্যাচে ১৬ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। সমান ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাস্টন ভিলা; এই দুই দল অবশ্য একটি করে ম্যাচ কম খেলেছে।
ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ আগে জোর একটা ধাক্কা খায় আর্সেনাল। গত বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কয়রাত আলমাতির বিপক্ষে ৩-২ গোলে জয়ের ম্যাচে পুরোটা সময় বেঞ্চে ছিলেন বুকায়ো সাকা।
এদিন অবশ্য ঘোষিত শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি; কিন্তু ওয়ার্ম আপের সময় শারীরিক সমস্যা অনুভব করায় স্কোয়াড থেকে ছিটকে পড়েন ইংলিশ ফরোয়ার্ড। এই সফরের আগে চোটের ছোবলে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মিকেল মেরিনোকেও হারায় আর্সেনাল। প্রথমার্ধে দলটির পারফরম্যান্সও আশানুরূপ ছিল না। কোনো চমক দেখাতে পারেনি অবনমন অঞ্চলের কাছাকাছি থাকা লিডসও।
তবে, ২৭তম মিনিটে ঠিকই গোল পেয়ে যায় সফরকারীরা। ডান দিক থেকে ননি মাদুয়েকের ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান মিডফিল্ডার সুবিমেন্দি। ১০ মিনিট পর গোলরক্ষকের ভুলে আরও পিছিয়ে পড়ে লিডস। সাকার জায়গায় শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া ননি মাদুয়েকের কর্নার পাঞ্চ করে ফেরানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হন কার্ল ডারলো, বল তার হাতে লেগে গোললাইন পেরিয়ে যায়।
প্রথমার্ধে গোলের জন্য মাত্র দুটি শট নেওয়া আর্সেনাল ৬৯তম মিনিটে নিতে পারে তৃতীয়টি। তৃতীয় গোলও পেয়ে যায় তারা। ডান দিক থেকে ছয় গজ বক্সের মুখে বাড়ান গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, আর প্রতিপক্ষের প্রবল বাধা সামলে নিচু ভলিতে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইয়োকেরেশ।
গত অগাস্টে লিডসের বিপক্ষে প্রথম দেখায় ৫-২ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেছিলেন এই সুইডিশ স্ট্রাইকার। ইয়োকেরেশের বদলি নামার ১০ মিনিট পর দলের চতুর্থ গোলটি করেন জেসুস। মার্টিন ওডেগোরের পাস পেয়ে ডি-বক্স থেকে জালে বল পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
এসএস/টিকে