টেলিপাড়ায় যেন আচমকাই নেমে এল বিয়ের হাওয়া। লাল বেনারসি, কপালে চন্দন, পাশে ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবি পরা বর এই সাজেই সামাজিক মাধ্যমে ধরা দিতেই জল্পনার ঝড় উঠল অভিনেত্রী রত্নাপ্রিয়া দাস ও প্রভাবশালী কনটেন্ট নির্মাতা মুকুল জানাকে ঘিরে। একের পর এক ছবি ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন, তবে কি চুপিসারে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন এই জুটি?
রত্নাপ্রিয়ার ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে থেকেছে। অতীতে এক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পরিচালকের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে টেলিপাড়ায় কম গুঞ্জন শোনা যায়নি। সেই অধ্যায় ফুরোতে না ফুরোতেই হঠাৎ বিয়ের সাজে নতুন সঙ্গীর সঙ্গে উপস্থিতি অনেককেই বিস্মিত করেছে। ছবির আবহ, ভঙ্গি আর দু’জনের স্বচ্ছন্দ উপস্থিতি দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, এ যেন নিছক অভিনয় নয়, বাস্তবেরই কোনও ঘোষণা।
কিন্তু পর্দার আড়ালের গল্পটি ভিন্ন। জানা যায়, এই সাজ কোনও বাস্তব বিয়ের নয়, বরং একটি প্রচারচিত্রের শুটিংয়ের অংশ। কাজের প্রয়োজনেই বর-কনের বেশে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন রত্নাপ্রিয়া ও মুকুল। তবু রহস্য ঘনীভূত করেছে ছবির সঙ্গে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বার্তা। স্পষ্ট কিছু না লিখে শুধু কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করায় জল্পনার আগুন আরও দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। দু’জনের কেউই সরাসরি ব্যাখ্যা না দেওয়ায় কৌতূহল আরও বেড়েছে অনুরাগীদের।
সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের এই সাজ মুহূর্তেই নজর কাড়ে। কেউ বলছেন, নিছক প্রচারের কৌশল হলেও রসায়নটা বেশ স্বতঃস্ফূর্ত। আবার অনেকের ধারণা, কাজের আড়ালেই হয়তো গড়ে উঠছে বিশেষ কোনও সমীকরণ। একমত প্রায় সকলেই বিয়ের সাজে এই জুটিকে দারুণ মানিয়েছে। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে, তা সময়ই বলবে, তবে আপাতত এই ‘বিজ্ঞাপনী বিয়ে’ই টেলিপাড়ার নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
পিআর/টিকে