গ্রীষ্ম না আসতেই গরম শুরু হয়ে গেছে। এই সময়ে গরম থেকে বাঁচতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ দুপুরের দিকে বের হতে চান না। বের হলেও বিভিন্ন পানীয়র ওপর নির্ভর করেন। তেমন এক পানীয় হচ্ছে অ্যালোভেরার জুস।এই অ্যালোভেরাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা আমাদের ত্বক, মুখ ও হজমের জন্য বেশ উপকারী।
অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। বহু বছরে ধরেই এটি ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অ্যালোভেরা গাছের পাতার ভেতর থেকে একরকম আঠালো রস বের হয়, সেটিই নানা কাজে ব্যবহৃত হয়।এটি ত্বক ও চুলের জন্যও ভালো।
অ্যালোভেরাকে বাংলায় অনেকে ঘৃতকুমারী গাছও বলে থাকেন। এতে থাকা পলিফেনল যৌগের কারণে প্রদাহ দূর হয়। এতে থাকা প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরকে ফ্রি-র্যাডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে।একে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসও বলে।
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমনকি এই কারণে হৃদরোগও দেখা দিতে পারে। অ্যালোভেরাতে রয়েছে প্রদাহনাশী উপাদান। এটোপিক ডার্মাটাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই অ্যালোভেরা।
পানীয় হিসেবে এর রস পান করা যায়, আবার অনেকে এর রস ত্বকে লাগান। দুটিতেই দারুণ উপকার মেলে। এ ছাড়া টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে পারে এই অ্যালোভেরা। শুধু তা-ই নয়, রক্তে ফ্যাটি এসিডের মাত্রাও কমাতে পারে এটি।
এমআর/এসএন