© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

“গুপ্তচরের গুণ থাকলে একজনের উপর নজর রাখতাম” — ইঙ্গিত কি নাগ চৈতন্যের দিকে?

শেয়ার করুন:
“গুপ্তচরের গুণ থাকলে একজনের উপর নজর রাখতাম” — ইঙ্গিত কি নাগ চৈতন্যের দিকে?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৪ পিএম | ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
দীর্ঘ প্রেমপর্বের পর রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে হয়েছিল দক্ষিণী সুপারস্টার সামান্থা রুথ প্রভু ও নাগ চৈতন্যর। কিন্তু বছর পেরোতেই সেই সংসারের পরিণতি হয় বিচ্ছেদে। যদিও বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কখনও খোলাখুলি মুখ খোলেননি সামান্থা, তবে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর একটি মন্তব্য ফের চর্চায়।

সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’-তে এক গুপ্তচরের চরিত্রে দেখা গেছে সামান্থাকে। চরিত্র অনুযায়ী, গোপনে নজরদারি, তথ্য জোগাড় করা, শত্রুকে ধরার টেকনিক—সবই তাঁর স্ক্রিন পার্সোনালিটির অংশ। কিন্তু বাস্তব জীবনে এইসব গুণ তাঁর নেই বলেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

এক সাক্ষাৎকারে সামান্থা হালকা হাসির ছলে বলেন, “গুপ্তচরের কোনও গুণাগুণ আমার মধ্যে নেই। তবে থাকলে ভাল হত। একজনের উপরে আমি নজরদারি চালাতাম।” এই মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় নেটপাড়ায়। শুরু হয় জল্পনা—সেই “একজন” কি নাগ চৈতন্য?

একজন অনুরাগী মন্তব্য করেন, “আমি নিশ্চিত, সামান্থা সম্পর্কে প্রতারিত হয়েছেন। তবে তিনি সেটা প্রকাশ্যে বলবেন না।” এমনকি অনেকেই মনে করছেন, শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে নাগের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার কারণেই ফাটল ধরে তাঁদের দাম্পত্যে। যদিও সামান্থা কখনওই স্বামীর ব্যক্তিগত চলাফেরায় হস্তক্ষেপ করেননি বা সন্দেহ প্রকাশ করেননি।

২০২১ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০২৪ সালে দক্ষিণী আচার মেনে শোভিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন নাগ চৈতন্য। অন্যদিকে, সামান্থা এখনও সিঙ্গল। ক্যারিয়ারেই আপাতত ফোকাস তাঁর।

সামান্থার এই মন্তব্য হয়তো নিছকই হালকা রসিকতা, কিন্তু ভক্তরা ঠিকই ধরেছেন তাতে লুকিয়ে থাকা আবেগের গভীরতা। 

এসএন 

মন্তব্য করুন