বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে ওনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল। বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সেজন্য প্রায়শই উনাকে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসার সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে আবার বাসায় আনা হয়।
ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শক্রমে বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। ওখানে উনার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
এরপর তার বাসস্থান ফিরোজায় নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার যে চিকিৎসা হওয়ার কথা ছিল, আমরা বারবার বলেছি, ২০১৮ সালের উনি কারাগারে হেঁটে হেঁটে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দী অবস্থায় যখন ফেরত দেওয়া হলো, তখন উনি হুইল চেয়ারে আসলেন। উনার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে উনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল।
পরে মেডিক্যাল টিমের পরামর্শক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসকদল এসেছিলেন ২০২৩ সালে, তখন তারা চিকিৎসা করেন। তারপরে উনার চিকিৎসার জন্য আমরা লন্ডনে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু যেহেতু বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি । সেজন্য উনার যে চিকিৎসাটা প্রয়োজন, সেটি করা সম্ভব হয়নি। সেজন্য প্রায়শই এভারকেয়ার হাসপাতালে উনাকে যেতে হয়, জাস্ট সুস্থ থাকার জন্য।
মানসিকভাবে উনার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। উনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এফপি/ টিএ