• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত

দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত

মুষ্টিবদ্ধ ছয়টি হাতের মধ্যে চারটি হাতে ধরে রেখেছে পতাকাদণ্ড। সেটির মাথায় যে পতাকাটি উড়ছে তা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার; বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ঐতিহাসিক পতাকা। তবে রংহীন। আর এটিই ‘পতাকা-৭১’ ভাস্কর্য। যা মুন্সীগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র লিচুতলা এলাকায় অবস্থিত। ২০১৮ সালের ২ মার্চ এই ‘পতাকা-৭১’ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।

বিস্তারিত
জেনে নিন, যেভাবে সাবান তৈরি শুরু হয়

জেনে নিন, যেভাবে সাবান তৈরি শুরু হয়

সাবান হচ্ছে ফ্যাটি এসিডের লবণ। এটি যে রংঙেরই হোক কাজ কিন্তু একটাই- পরিষ্কার করা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে সাবান ব্যবহারের ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো। খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০০ বছর আগে প্রাচীন ব্যাবিলনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে সাবানজাতীয় বস্তুর ব্যবহারের প্রথম প্রমাণ মেলে। সে সময় মাটির পাত্রগুলোতে সাবানের মতো বস্তু তৈরি ও ব্যবহার করা হতো।

বিস্তারিত
ভূমিকম্পের অবস্থান জানার যন্ত্রটি প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী জাঙ হেঙ

ভূমিকম্পের অবস্থান জানার যন্ত্রটি প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী জাঙ হেঙ

ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীড়নের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হঠাৎ মুক্তি ঘটলে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূ-ত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এই রূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। কম্পন-তরঙ্গ থেকে যে শক্তির সৃষ্টি হয়, তা ভূমিকম্পের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই তরঙ্গ ভূ-গর্ভের কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চলে উৎপন্ন হয় এবং উৎসস্থল থেকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভূমিকম্প সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে এক/দু-মিনিট স্থায়ী হয়।

বিস্তারিত
যানবাহন সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তিমূলক আইন প্রথম প্রণয়ন করে চীন

যানবাহন সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তিমূলক আইন প্রথম প্রণয়ন করে চীন

চীনা শাসক শার্ন সর্বপ্রথম যানবাহন সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তিমূলক আইন প্রণয়ন করেন, প্রাচীন বিশ্বের বিরল উদাহরণ এটি। তার প্রণীত আইনে পাঁচটি পর্যায়ে শাস্তির বিধান ছিলো। এরমধ্যে দূরপাল্লার যানবাহনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা বে-আইনি কিছু ঘটলে এর শাস্তি ছিলো মৃত্যুদণ্ড।

বিস্তারিত
প্রথম মোটরসাইকেল নির্মাণ করেন ডাইমলার ও মেব্যাচ

প্রথম মোটরসাইকেল নির্মাণ করেন ডাইমলার ও মেব্যাচ

আঠারো শতকের শেষের দিকে দুই চাকার পেট্রোল চালিত একটি যন্ত্র সবাইকে অবাক করে চলতে থাকে পথে ঘাটে। গতিতে দ্রুত আর আয়তনে ছোট হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে থাকে সব জায়গায়। জয় করতে থাকে বিশ্বের সব সড়ক মহাসড়ক। ১৮৯৪ সালে ‘হাইডের্ব্যান্ড অ্যান্ড উলফমুলার’ নামের প্রথম পেট্রোল চালিত বাণিজ্যিক মোটরসাইকেল বাজারে আসে।

বিস্তারিত
১৮৯৫ সালে নিজের নামে পুরস্কার ঘোষণা দেন আলফ্রেড নোবেল

১৮৯৫ সালে নিজের নামে পুরস্কার ঘোষণা দেন আলফ্রেড নোবেল

ধ্বংসাত্মক ডিনামাইনের আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেল ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের কাছে নন্দিত হলেও অন্যদের মহান আবিষ্কারকে স্বীকৃতি প্রদানে তার অবদান বিংশ শতাব্দীতে তাকে বিখ্যাত করে তোলে। তার ইচ্ছানুসারে ‘নোবেল পুরস্কার’ প্রবর্তন করা হয়। যাকে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিস্তারিত
দেশে বাণিজ্যিকভাবে বিমান চলাচল শুরু ১৯৪৭ সালে

দেশে বাণিজ্যিকভাবে বিমান চলাচল শুরু ১৯৪৭ সালে

বাংলার প্রথম বিমান চলাচল শুরু হয় সামরিক কাজে। বৃটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সের প্রয়োজনে ঢাকার তেজগাঁয়ে প্রথম বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁ, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রামে কয়েকটি বিমানবন্দর যুদ্ধের প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছিলো। তবে বেসামরিক বা বাণিজ্যিক কাজে বিমান পরিবহন ব্যবস্থা ইংরেজ সরকার এ দেশে নির্মাণ করেনি।

বিস্তারিত
রেডিও প্রেরণ কৌশল উদ্ভাবনের ভিত্তি গড়েছিলেন বিজ্ঞানী হার্টজ

রেডিও প্রেরণ কৌশল উদ্ভাবনের ভিত্তি গড়েছিলেন বিজ্ঞানী হার্টজ

রেডিও হল তার ব্যতীত যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়। যদিও আমরা জানি যে, এ রেডিওর আবিষ্কারক ইতালীয় ইঞ্জিনিয়ার গুগনিমো মার্কনি। আসলে রেডিও আবিষ্কারের ইতিহাস আরও পুরনো।

বিস্তারিত
প্রথম রাইফেল তৈরি করেছিলেন অগাস্টিন কোস্টার

প্রথম রাইফেল তৈরি করেছিলেন অগাস্টিন কোস্টার

ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সৈন্যরা গাদা বন্দুক নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছিলো। দেখা যাচ্ছিল যে, এর ফলাফল প্রাপ্তির মাত্রাটা অত্যধিক কম। উদাহরণস্বরূপ- ‘ক্যাফির যুদ্ধ’। ওই যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ৮০ হাজার কার্তুজ ব্যবহার করে মারতে পেরেছিল কেবল ২৫ আফ্রিকান সৈন্য। কারণ, গাদা বন্দুকের গুলি টার্গেটে যথাযথভাবে আঘাত হানতে পারতো না, গতিমুখ বিচ্যুতের সম্ভাবনা থাকতো বেশি।

বিস্তারিত
প্রথম সাবমেরিন তৈরি করেন বিজ্ঞানী ড্রিবেল

প্রথম সাবমেরিন তৈরি করেন বিজ্ঞানী ড্রিবেল

১৫৭০ সালে ইংরেজ গণিতবিদ উইলিয়াম বুয়ার্ন এমন একটি জাহাজের নকশা তৈরি করেন, যা পানির নিচের একবারে তলা পর্যন্ত যেতে এবং প্রয়োজনে পানির উপরে উঠতে সক্ষম। তিনি নকশায় জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য সংকোচ প্রসারণক্ষম বায়ু কক্ষ (Air Chember) সংযোজিত করেন, যাতে করে সাবমেরিনটি ডুবতে এবং প্রয়োজনে ভেসে উঠতে পারে।

বিস্তারিত