ফুটবলারদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত মর্যাদার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্যারিয়ারে প্রথমবার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলে।
এখন থেকেই শুরু হয়েছে ২০২৫-২৬ ব্যালন ডি’অরের হিসাব-নিকাশ। জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোলডটকম এর সর্বশেষ ‘ব্যালন ডি’অর পাওয়ার’ র্যাঙ্কিং-এ সবার ওপরে রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
২০২৫-২৬ মৌসুমে ২৯ গোল এবং ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন কেইন। এরই মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখকে ডিএফএল সুপারকাপ জিতিয়েছেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার। কেইনের দুর্দান্ত ফর্মে বুন্দেসলিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দাপট দেখাচ্ছে বায়ার্ন।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২৭ গোল এবং ৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড আর্লিং হলান্ড ও আর্সেনাল মিডফিল্ডার ডেকলান রাইস। মৌসুমে হলান্ড ৩২ গোলের সঙ্গে ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন, অন্যদিকে ডেকলানের নামের পাশে রয়েছে ৩ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট।
পাঁচ নম্বরে রয়েছেন বার্সেলোনার লামিনে ইয়ামাল। গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন স্পেন ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে চোটের কারণে বেশ কিছু ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। নিজে করেছেন ৬ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ১১টি।
তালিকার ছয় নম্বরে আছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) মিডফিল্ডার ভিতিনহা। ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে গত মৌসুমে দেম্বেলে, ইয়ামালের পর তৃতীয় স্থানে ছিলেন এই মিডফিল্ডার। চলতি মৌসুমে ৫ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। সেই সাথে ইউয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন পর্তুগিজ এই তারকা।
সাত ও আট নম্বরে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের মাইকেল ওলিস এবং লুইস দিয়াজ। দুজনই জিতেছেন ডিএফএল সুপারকাপ। মৌসুমে ১১ গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন ২৩ বছর বয়সী ওলিস। দিয়াজ করেছেন ১৩ গোল, সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন ৭টি গোল।
তালিকার ৯ নম্বরে উঠে এসেছে চেলসির ১৮ বছর বয়সী নতুন সেনসেশন এস্তেভাও উইলিয়ান। ব্রাজিলিয়ান এই তরুণ মৌসুমে ১০ গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেছেন।
১০ নম্বরে রয়েছেন পিএসজির আশরাফ হাকিমি। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার দৌড়ে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন হাকিমি। চলতি মৌসুমে ২ গোলের পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন ৮টি গোল।
আইকে/টিএ