জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত ৮ দলের উদ্যোগে সোমবার (১ ডিসেম্বর) খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এদিন দুপুর ১২টায় শিববাড়ি বাবরী চত্বরে মূল সমাবেশ হলেও সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, ময়লাপোতা মোড়, ডাকবাংলো মোড় থেকে জোড়াগেট পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় মানুষের ঢল নামবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান জানান, সমাবেশে দেড় থেকে দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম আশা করা হচ্ছে। প্রচার-প্রচারণায় দেড় শতাধিক হর্ন, বিলবোর্ড, ফেস্টুন, ব্যানার ও ব্যাপক মাইকিংয়ের পাশাপাশি গত চার দিনে পাঁচ লক্ষাধিক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম।
বিশেষ অতিথি থাকবেন, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানি, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এ ছাড়া খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ উপলক্ষে ৩০ বাই ৪০ বর্গফুটের সুবিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হবে। মিডিয়ার জন্য থাকবে দুটি পৃথক মঞ্চ। প্রচার, মঞ্চ, শৃঙ্খলা, ডেকোরেশনসহ ১১টি উপকমিটি কাজ করছে বলেও জানানো হয়। দূরদূরান্ত থেকে আগতদের যানবাহন রাখার জন্য জিরোপয়েন্ট-গল্লামারী, বাইপাস-ময়ুরী আবাসিক, পূর্বরূপসা ঘাট ও সিএন্ডবি মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ৮ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের অসংখ্য নেতা। যাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি আমানুল্লাহ, অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, মুফতি শরীফ সাইদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, নিজামুদ্দিন অমিত, এফ এম হারুন অর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরপি/টিকে