২০২৪ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের টেস্ট দলের কোচ হওয়ার পর জেসন গিলেস্পি উচ্চাশা দেখান। পাকিস্তানকে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো দল বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আট মাসের মধ্যে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার। তার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ কী, চাকরি ছাড়ার এক বছরেরও বেশি সময় পর জানা গেল।
গিলেস্পির অধীনে পাকিস্তান প্রথম টেস্ট সিরিজে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কাছে ২-০ তে হেরেছিল। এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হেরেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে তারা। তার অন্তর্বর্তীকালীন কোচিংয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও টি-টোয়েন্টিতে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয় পাকিস্তান। পাকিস্তান বোর্ডের সঙ্গে শুরু থেকেই ঝামেলা হচ্ছিল গিলেস্পির। দল নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে বোর্ডের হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শুরু হওয়ার ঠিক আগ দিয়ে পাকিস্তানের কোচিং থেকে সরে দাঁড়ান গিলেস্পি।
একটি সাক্ষাৎকারে গিলেস্পি জানালেন চাকরি ছাড়ার প্রকৃত কারণ। তার কথা- পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যাতে তিনি অপমানিতবোধ করেছিলেন। বিশেষ করে তার সঙ্গে কথা না বলে সহকারী কোচকে ছাঁটাইয়ের ব্যাপারটি ভালো লাগেনি। তাই আর কোচের দায়িত্বে থাকতে চাননি।
সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন পর্বে এক ভক্ত গিলেস্পিকে জিজ্ঞাসা করেন যে, তিনি কেন পাকিস্তানের টেস্ট কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জবাবে সাবেক পেসার বলেন, ‘আমি শুধুমাত্র পাকিস্তানের টেস্ট দলের কোচ ছিলাম। আমাদের দলের সিনিয়র সহকারী কোচকে ছাঁটাইয়ের সময় আমার সঙ্গে একবারও কথা বলেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
আরও অনেক বিষয় ছিল। অপমানিত বোধ করছিলাম। ওই পরিস্থিতিতে দায়িত্ব সামলানো যায় না। তাই ইস্তফা দিয়েছিলাম।’
এমআই/এসএন