গত বছরের শেষ সময়টা দারুণ কাটিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ধানুশের বিপরীতে তার অভিনীত ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। সেই উদ্দীপনাতেই নতুন বছর শুরু করেছেন তিনি। ২০২৬ সালে এবার এক মাইলফলকের সামনে ‘হিরোপান্তি’ খ্যাত এ বলিউড তারকা। চলতি বছরেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে কৃতি শ্যাননের ২০তম সিনেমা ‘ককটেল ২’।
২০১৪ সালে ‘হিরোপান্তি’ দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অভিষেকের প্রায় ১২ বছর পর যা নায়িকার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য এক অর্জন। যদিও এমন মাইলফলক সম্পর্কে শুরুতে কোনো ধারণাই ছিল না তার। পরে জানতে পেরে খানিকটা বিস্ময় প্রকাশ করে কৃতি বলেন, ‘তাই তো! আমি প্রায়ই এই ধরনের মাইলফলক খেয়াল করি না।’ তবে সংখ্যার হিসাবের চেয়ে কাজের মান ও চরিত্রের গভীরতাকেই বেশি গুরুত্ব দিতে পছন্দ করেন বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে প্রেক্ষাগৃহে আসা কৃতির ‘তেরে ইশক মে’ ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। যদিও সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কোনো চাপ তিনি অনুভব করছেন না বলেই জানান অভিনেত্রী। ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ছবিই আলাদা এবং সব ছবির থেকে একই ধরনের সাড়া আশা করাও বাস্তবসম্মত নয়। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি এই ধরনের চাপ নিই না। প্রত্যেকটি ছবির নিজস্ব দর্শক এবং নিজস্বতা থাকে।’
আবেগঘন ও তীব্র সম্পর্কের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’-এর পর ‘ককটেল ২’ কৃতির জন্য একেবারেই ভিন্ন ধাঁচের একটি সিনেমা। একটি আধুনিক রোমান্টিক কমেডি হিসেবে নির্মিত এই ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদ কাপুর ও রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রীর মতে, এই ছবির দর্শক ‘তেরে ইশক মে’-এর দর্শকদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। তাই ছবি দুটির মাঝে তুলনা করা একেবারেই অর্থহীন বলে মনে করেন এ তারকা।
‘ককটেল ২’ তার ক্যারিয়ারের ২০তম ছবি হলেও, মাইলফলকের চেয়ে নতুন গল্প ও ভিন্নধর্মী চরিত্র অন্বেষণেই নিজের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন কৃতি।
আরআই/এসএন