ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে বরিশাল জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনের মধ্যে প্রথম ধাপে তিনটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
বরিশাল সংসদীয় ৪, ৫ ও ৬ আসনে মোট ২১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই করা হয়। যাচাই শেষে বরিশাল সদর-৫ আসনে দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই আসনে একজন এবং বরিশাল-৬ বাকেরগঞ্জ আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ কে এম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্রের নির্ধারিত ২০ নম্বর পাতায় স্বাক্ষর প্রদান না করা এবং ২১ নম্বর পাতা পূরণ না করায় অযোগ্য বিবেচিত হন। এ ছাড়া, বরিশাল সদর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তৌহিদুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয় ভোটার তালিকা এবং প্রস্তাব ও সমর্থনকারীদের তথ্য অসংগতিপূর্ণ হওয়ায়।
এদিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। আয়কর রিটার্ন সার্টিফিকেট দাখিল না করা, ১০-বি ফরম সংযুক্ত না থাকা এবং ছবির সত্যায়ন না থাকায় বরিশাল-৬ বাকেরগঞ্জ আসনের মুসলিম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। একইভাবে হলফনামায় স্বাক্ষরের অভাব এবং অঙ্গীকারনামায় অসংগতির কারণে বরিশাল সদর-৫ আসনের বাসদের প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
মনোনয়ন যাচাই শেষে বাকি ১৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সময় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন সাংবাদিকদের জানান, শনিবার বরিশাল–১, ২ ও ৩ আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। এ ছাড়া, আগামী ৪ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাইয়ের শেষ দিনে স্থগিত থাকা দুই প্রার্থীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মোট ৬২ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ৪৮ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পিএ/টিএ