ময়মনসিংহের সংসদীয় আসন ঈশ্বরগঞ্জ-৮, নান্দাইল-৯, গফরগাঁও-১০ এবং ভালুকা-১১ আসনের মোট ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীতায় এক শতাংশ ভোটারে গড়মিল, হলফনামায় তথ্য ভুল এবং ঋণ খেলাপীর কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শেষ দিনের যাছাই-বাছাই কার্যক্রমে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান এই আদেশ দেন।
এর মধ্যে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান ভূইয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তাদের মধ্যে এক শতাংশ ভোটারে সমর্থন সঠিক না থাকা এবং ঋণ খেলাপীর কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর এ. আর. খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। হলফনামায় তথ্য ভুল এবং এক শতাংশ ভোটারের তথ্য সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ ছাড়া, এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুন বিন আবদুল মান্নান এবং প্রয়াত সংসদ সদস্য খররুম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হয়। অপরদিকে ঋণ খেলাপী থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শামসুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তাদের মধ্যে ঋণ খেলাপী থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান, এক শতাংশ ভোটার সমর্থকের তালিকা সঠিক না থাকায় আল ফাতাহ্ মো. আবদুল হান্নান খান, আলমগীর মাহমুদ আলম, মুশফিকুর রহমান ও মো. মতিউর রহমানের বাতিল হয়। তারা সবাই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন।
এ ছাড়া, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমের শতাংশ ভোটার সমর্থকের তালিকা সঠিক না থাকায় তার মনোনয়নও বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিভিন্ন ত্রুটির কারণে জেলার ৪টি আসনের মোট ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
এসকে/এসএন