নতুন বলে জিয়াউর রহমান-মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। তাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় রংপুরের টপ অর্ডার। তবে মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। পাশাপাশি দুর্দান্ত ফিনিশিং দিয়েছেন খুশদিল শাহ। তাতে দেড়শ ছাড়ানো সংগ্রহ পেয়েছে রংপুর রাইডার্স।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করেছে রংপুর। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ।
রংপুরের নতুন উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাসের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করেন কাইল মেয়ার্স। এই ক্যারিবিয়ান ভালোই শুরু করেছিলেন। তবে থিতু হওয়ার আগেই ফিরেছেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের করা অফ স্টাম্পের বাইরের খানিকটা খাটো লেংথের বলে কাট করতে গিয়ে আউট সাইড এজ হয়েছে। সাজঘরে ফেরার আগে ১১ বলে ১১ রান করেছেন তিনি।
সুবিধা করতে পারেননি আরেক ওপেনার লিটনও। জিয়াউর রহমানের করা অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল স্ল্যাশ করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ইমাদ ওয়াসিমের হাতে ধরা পড়েন। ৬ বল খেলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
তিনে নেমে ব্যর্থ তাওহিদ হৃদয়। নিজের খেলা প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন তিনি। গোল্ডেন ডাক খেয়ে হৃদয় ফেরায় ৩০ রানেই ৩ উইকেট হারায় রংপুর। দলের এমন বিপদে হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও মালান। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫৪ বলে যোগ করেন ৭৪ রান।
৩৩ বলে ৩৩ করেছেন মালান। আর মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ বলে ৫১ রান। শেষদিকে ২১ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন খুশদিল।
এসকে/এসএন