বলিউডের অন্দরে ‘নেপোটিজম’ নিয়ে কম বিতর্ক, আলোচনা হয়নি। সময়ের সঙ্গে তা ক্রমেই বাড়ছে। ফিল্মি পরিবারের ছেলেমেয়েরা কিংবা ‘স্টার কিড’রা ছবিতে সুযোগ পান অনেক বেশি এই অভিযোগের অন্ত নেই। এমনকী ‘স্টার কিড’দের ছবি ‘নাদানিয়া’ কিংবা ‘আর্চিজ’ নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে মুখ খুললেন জোয়া আখতার। বলিউডের অন্দরে ঠিক কীভাবে সিনেমা তৈরির বিশাল কর্মযজ্ঞ চলে এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন জোয়া (Zoya Akhter)।

বলিউডে ‘নেপোটিজম’ ও স্বজন পোষণের অভিযোগ নিয়ে জোয়া বলেন, “ইন্ডাস্ট্রির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পালটাতে হবে। এটা আপনার বাড়ি নয়। এখানে কে বহিরাগত আর কে সুবিধাভোগী এসব নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা আগে দূর করুন। এটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এখানে যে যেভাবে পারবে কাজ করবে। এটাই হওয়া উচিত। সকলের এখানে কাজের স্বাধীনতা রয়েছে। বহু মানুষকেই বলতে দেখি যে, তাঁরা নাকি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁদের নাকি ইন্ডাস্ট্রিতে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু তাঁদের এই অভিযোগ কাজ না পাওয়ার জন্য নয় বরং ধর্মা প্রোডাকশনের ব্যানারে কাজের সুযোগ না পাওয়ার জন্য। আমি বলব বিষয়টা এরকম একেবারেই হওয়া উচিত নয়। যদি তুমি অভিনয় করতেই ইন্ডাস্ট্রিতে আসো তাহলে অভিযোগ না করে কাজের সুযোগকে লুফে নাও। যদি তুমি অভিনয় করতে পারো তোমাকে সকলে গুরুত্ব দেবে।”
জোয়া আরও বলেন, “যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করা যায় তাহলে দেখা যাবে যে, প্রতিবছর মুম্বইয়ের বাইরে থেকে আসা ছেলেমেয়েরাই নিজেকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা করছে। এবং সেই সংখ্যাটা একেবারেই কম নয়। আর রইল বাকি ‘স্টার কিডে’র প্রসঙ্গ। তাহলে বলব যে, শুধু ফিল্মি পরিবার থেকে এলেই সে প্রতিষ্ঠা পায় না। পরিশ্রম সকলকে করতে হয়। আমার পরিবারো বিনোদুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল কিন্তু তারপরেও আমাকে স্ট্রাগল করতে হয়েছে। সাত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে নিজের ছবি তৈরির জন্য।” ‘আর্চিজ প্রসঙ্গে জোয়া বলেন, “ছবিটা আমার ছিল তাই কাদের আমি আমি আমার ছবিতে নেব সেতা একান্তই আমার সিদ্ধান্ত। আমি ওদের নিয়েছিলাম কারণ আমার ছবির অভিনেতারা স্টার কিড বলে নয় বরং তাঁরা প্রত্যেকেই ভীষণ প্রতাভাবান ও অভিনয়টা ভালো পারেন তাই। এই নিয়ে কম কটাক্ষ হয়নি। তবে এটুকুই আমি বলতে চাই যে ‘আর্চিজে’র প্রত্যেক শিল্পী অডিশনের মাধ্যমে কাজের সুযোগ পেয়েছেন আমার ছবিতে।”
এবি/টিকে