নিতিন জানান, এমনও দিন কেটেছে, তিনি সনিয়া গান্ধীর বাড়ির ময়ূরকে গিয়ে খাইয়েছেন। বহু নামকরা রাজনীতিবিদই নাকি সেই এলাকায় থাকেন।
তারকা ও নামী ব্যক্তিত্বদের বাড়িতে নিজের রন্ধনশিল্পীকে নিয়ে যান ফরাহ খান। তাঁদের সঙ্গে একটি পদ রান্না করেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলের পরবর্তী পদের জন্য ফরাহ পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর বাড়িতে। সেখান থেকেই ফরাহ জানতে পারেন, সনিয়া গান্ধী নাকি নিতিনের প্রতিবেশী।
নিতিন জানান, এমনও দিন কেটেছে, তিনি সনিয়া গান্ধীর বাড়ির ময়ূরকে গিয়ে খাইয়েছেন। বহু নামকরা রাজনীতিবিদই নাকি সেই এলাকায় থাকেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “সনিয়া গান্ধী এখানে থাকেন। মনমোহন সিংহও থাকতেন। আমরা প্রায়ই ওঁর (সনিয়া) বাড়ি যেতাম এবং ওঁর ময়ূরকে খাওয়াতাম।” এই শুনে অবাক হয়ে যান ফরাহ খান।
প্রতিবেশীরা মাঝেমধ্যে বিভিন্ন জিনিস দেওয়ানেওয়া করেন। নিতিন ও সনিয়াও কি করেছেন এমন কিছু? ফরাহ হাসতে হাসতে প্রশ্ন করেন, “আপনারা কি প্রতিবেশী হিসাবে চিনি দেওয়ানেওয়া করেছেন কখনও?” এই শুনে নিতিন গডকড়ী ও তাঁর পরিবারের সকলেই হেসে ওঠেন।
এই দিন গডকড়ীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী কাঞ্চন গডকড়ী। কত দিনের বৈবাহিক জীবন তাঁদের? প্রশ্ন করেন ফরাহ। মনে করে উত্তর দিতে পারেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তখন বলিউড পরিচালক খোঁচা দিয়ে বলেন, “একেবারে আদর্শ পুরুষ। নিজের বিয়ের কত বছর হল, সেটাই ভুলে গিয়েছেন!” ফের হেসে ওঠেন মন্ত্রী। তখন কাঞ্চন জানান, তাঁদের বৈবাহিক জীবন ৪১ বছরের। এই পর্বে নাকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বেশ কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ফরাহের সঙ্গে।
এবি/টিকে