পদ্মশিবিরের ‘প্রোপাগান্ডা’ ছবি তৈরির অভিযোগ উঠছে আদিত্য ধরের বিরুদ্ধে। কিন্তু এ বার পরিচালকের হয়ে মুখ খুললেন অনুরাগ কাশ্যপ। তিনি বরাবরই পদ্মশিবিরের বিপক্ষে মতপ্রকাশ করে এসেছেন।
‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’ ও ‘ধুরন্ধর’— এই দু’টি ছবি পরিচালনা করেছেন আদিত্য। দু’টি ছবির সঙ্গেই জুড়েছে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা। সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর’ দেখেছেন অনুরাগ কাশ্যপ। তার পরেই তাঁর বক্তব্য, আদিত্য মানুষ হিসাবে সত্যিই সৎ। একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত হিসাবে তিনি সত্যিই অশান্তি ভোগ করেছেন। যদিও ‘ধুরন্ধর’ ছবির রাজনীতির সঙ্গে তিনি সহমত নন।
আদিত্য ধর সম্পর্কে তিনি বলেছেন, “স্বীকার করুন বা না-করুন, মানুষটা কিন্তু সৎ। মোটেই অন্যদের মতো সুযোগসন্ধানী নন। ওঁর বেশির ভাগ কাজই কাশ্মীরকে নিয়ে। উনি নিজেও কাশ্মীরি পণ্ডিত। ফলে যথেষ্ট ভুগেছেন।”
‘ধুরন্ধর’ নিয়ে অনুরাগ জানিয়েছেন, তাঁর ছবিটি ভাল লেগেছে। শুধু দু’টি সংলাপ তাঁর পছন্দ হয়নি। ছবি হিসাবে ভাল হলেও, এই দুই সংলাপ যে রাজনীতির বার্তা দেয়, তার সঙ্গে তিনি সহমত নন। একটি সংলাপ ছিল আর মাধবনের মুখে। জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা অজয় সান্যালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সংলাপটি ছিল, “একদিন এমন আসবে, যখন কেউ সত্যিই দেশকে নিয়ে ভাববে।” আর একটি সংলাপ ছবির একেবারে শেষে রণবীর অভিনীত গুপ্তচরের চরিত্রে। সংলাপটি হল, “এটা নতুন ভারত।”
এই বিষয়গুলি বাদ দিয়ে ছবির নির্মাণ ও অভিনয় সবই ভাল লেগেছে অনুরাগের।
এসকে/এসএন