আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা এখন থেকে বছরে তিনটির বেশি বিদেশি লিগে খেলতে পারবেন না। ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও মানসিক সুস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় এই পলিসি চালু করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।
বুধবার কাবুলে এসিবির বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে এসিবি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সুস্থতা রক্ষার জন্য বোর্ড বিদেশি লিগ সংক্রান্ত একটি নতুন নীতি অনুমোদন করেছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা এখন আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ (এপিএল)-এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন, পাশাপাশি বছরে সর্বোচ্চ আরও তিনটি আন্তর্জাতিক লিগে খেলতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়দের কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা এবং জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনের সময় সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা।’
এই ঘোষণা রশিদ খান ও তার সতীর্থদের জন্য ধাক্কাস্বরূপ। রশিদ নিজে বেশ কয়েকটি বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এসএ২০ লিগে তিনি এমআই ক্যাপটাউনের অধিনায়ক, চুক্তি আছে এমআই এমিরেটস, এমআই নিউ ইয়র্ক ও আইপিএলের দল গুজরাট টাইটান্সের সঙ্গে। মোহাম্মদ নবি, নুর আহমেদ, মুজিব উর রহমান, আল্লাহ গজনফর ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইরাও বেশ কয়েকটি লিগে খেলে থাকেন।
আফগানিস্তানের এই সিদ্ধান্ত অনেকটা এলপিএলে তাদের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্যও। অক্টোবরে প্রথমবারের মতো শুরু হবে ঘরোয়া ওই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। পাঁচ শহরের নামে ৫ দলের টুর্নামেন্টের ভেন্যু সংযুক্ত আরব আমিরাত। জুন-জুলাইয়ে হবে আসরের প্লেয়ার ড্রাফট।
এসিবি এর আগেও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করেছিল। ২০১৮ সালের শুরু হওয়া ওই প্রতিযোগিতা মাতিয়েছিলেন ক্রিস গেইল, ব্রেন্ডন ম্যাককলাম, শহীদ আফ্রিদীর মতো টি-২০’র ফেরিওয়ালারা। তবে, নানা কারণে সুখকর অভিজ্ঞতা হয়নি। পারিশ্রমিকসহ নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় ক্রিকেটারদের। সমালোচনায় জর্জরিত হতে হয় আফ্রগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। এক মৌসুম পরই সে প্রতিযোগিতা আর মাঠে গড়ায়নি।
এসএস/টিএ