রাজনীতির ময়দান হোক কিংবা সিনেদুনিয়া, শত বিতর্ক ছুঁয়েও বিগত দু’ দশক ধরে বাংলাবাসীর মনের বাদশা দেব। তিনি যেমন রাজনৈতিক সৌজন্যের ‘পোস্টারবয়’, তেমনই সিনেইন্ডাস্ট্রির ‘চ্যাম্পিয়ন’। বক্স অফিসের ব্যবসার নীরিখেও একনম্বরে। একসময়ে যে ছেলেটিকে বাচনভঙ্গীর জন্য সিনেপাড়ার ‘এলিট’ শ্রেণীর কাছে ঠাট্টা-টিটকিরির শিকার হতে হয়েছিল, সেই ছেলেটিই সৌজন্য আর ভালোবাসার মন্ত্র আউড়ে বিগত বারো বছরে ‘নেতা-অভিনেতা’ হিসেবে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ভালোবাসা কুড়িয়েছেন। আর সেই ভালোবাসার বিলনোর স্মারকস্বরূপ এবার দেবকে বড় স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগের।
এবার থেকে ভারতীয় ডাক টিকিটে দেখা যাবে দেবের মুখ। শনিবার সেখবর দিতে গিয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন টলিউড সুপারস্টার। পাশাপাশি অনুরাগীদের সঙ্গে পোস্ট স্ট্যাম্পের ছবিও ভাগ করে নেন অভিনেতা। যেখানে ট্রেনের ইঞ্জিনের পাশে তারকা সাংসদের মুখ জ্বলজ্বল করছে। এমন নজিরবিহীন সম্মানে সম্মানিত হয়ে আল্পুত দেবও। ভারতীয় ডাক বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেবের মন্তব্য, আমি ভীষণভাবে সম্মানিত এবং অভিভূত।
আমার নামে ডাকটিকিট চালু করার জন্য ইন্ডিয়া পোস্টকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। এহেন সম্মান যে তাঁর কল্পনাতীত ছিল, সেকথাও উল্লেখ করতে ভোলেননি দেব।
টলিউড সুপারস্টারের সংযোজন, “এমন সম্মানের যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়াটা আমার কল্পনারও অতীত। একজন মানুষ হিসেবে জগনের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এই স্বীকৃতি আমার পরমপ্রাপ্তি। আমি চিরকৃতজ্ঞ।” খবর, শুক্রবার ঘাটাল মেলার উদ্বোধন করতে গিয়েই নিজস্ব সংসদীয় এলাকায় এই ডাকটিকিট প্রকাশ্যে এনেছেন দেব। স্বাভাবিকভাবেই তারকা সাংসদের এহেন নজিরবিহীন সম্মানে ভূষিত হওয়ায় উচ্ছ্বাসের জোয়ার ঘাটালে। তবে শনিবার সোশাল মিডিয়ায় সেই ডাকটিকিটের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন নেতা-অভিনেতা। যা দেখে উন্মাদনায় ফুটছে দেবের ভক্তশিবিরও।
কেএন/টিকে