ঠিক এক বছর আগে এই দিনেই স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাস। সোমবার উনিশ জানুয়ারি ছিল তাঁদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী। আনুষ্ঠানিক বিয়ের আগেই রুবেলকে নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন শ্বেতা, এমনটাই জানালেন তিনি। তাঁর মতে, বিয়ের কাগজে সইয়ের আগেই তাঁদের মানসিক বোঝাপড়া তৈরি হয়ে গিয়েছিল, এখন কেবল একসঙ্গে পথচলার বছরপূর্তি উদ্যাপন।
মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছিল উদ্যাপন। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই তারকাদম্পতির বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। সন্ধ্যায় বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তাঁরা, যেখানে দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি শ্বেতা জানিয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রির সেই কাছের মানুষদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের বিয়ের সময় ডাকা সম্ভব হয়নি।
এক বছরের দাম্পত্যে সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করেন শ্বেতা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া আগের চেয়ে দৃঢ় হয়েছে, তবু ছোটখাটো ঝগড়া যে হয় না, তা নয়। বিশেষ করে ঘুরতে যাওয়া নিয়ে প্রায়ই মতবিরোধ তৈরি হয় তাঁদের। তবে রাগ-অভিমান জমে থাকলে দুজনেই মন থেকে ক্ষমা চেয়ে নেন, শুধু কথার কথা নয়, আন্তরিকভাবেই।
শ্বেতা মনে করেন, জীবনের ঝড়ঝাপটা তাঁদের ক্ষেত্রে বিয়ের আগেই কেটেছে। বিয়ের পর থেকে একে অন্যের পাশে থেকে নিরাপত্তা ও ভরসা অনুভব করেন তাঁরা। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে রুবেলের দেওয়া উপহার নিয়ে মুখ খুলতে চাননি অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, তাঁরা নজরে বিশ্বাস করেন বলেই এসব প্রকাশ করতে চান না।
তবে এই বিশেষ দিনে শ্বেতা এক আবেগঘন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সিঁথির সিঁদুর অক্ষত রেখেই যেন তাঁর মৃত্যু হয়, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সিঁথি যেন লাল থাকে। সন্তান নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এমকে/টিএ