বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলাকালে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বিতর্ক এড়ানো যেন প্রায় অসম্ভব কাজ। এবারের আসরে নির্মল অবস্থানে থাকা অন্যতম দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। আর এর মূলে আছেন দলটির প্রধান কোচ হান্নান সরকার। বড় নামের চেয়ে তরুণ ও অভিজ্ঞদের মিশেলে তিনি স্কোয়াডে ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছেন। সেসব ক্রিকেটাররাই ফাইনালে তুলেছে রাজশাহীকে।
এমন ভালো অবস্থায়ও একাদশ সাজাতে বেশ ঘাম ছুটে যাচ্ছে হান্নানের। প্লেয়ারদের সামলানো নিয়ে ‘মধুর সমস্যা’র কথা জানিয়ে রাজশাহীর প্রধান কোচ ফাইনালের আগে বলেছেন, ‘প্রতিটা প্লেয়ার টিমম্যান হিসেবে চিন্তা করছে। আকবর (আলি) ম্যাচসেরা হওয়ার পর ড্রপ। (হাসান) মুরাদ একটি ম্যাচ ভালো করার পর খেলতে পারেনি। রিপন খেলতে না পারলেও দলের প্রতি নিবেদিত প্রাণ ছিল। সবাই জানে তার রোল কী, খেলুক কিংনা না খেলুক।’
তবে সব সিদ্ধান্ত সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেন বলেও জানান হান্নান, ‘আমি সবসময় একটা কথা বলি। আমি একা সিদ্ধান্ত নিই না। অধিনায়ক ও কোচরা আছেন। সাফল্য এলে আমার একার ক্রেডিট না, ব্যর্থ হলেও আমার একার দায় না। সবাইকে নিয়েই বোঝাটা নিতে হবে।’
আজ (শুক্রবার) বিপিএলের ফাইনালে মুখোমুখি হবে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম রয়্যালস। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহীর ক্রিকেটার আকবর আলী বলেছেন, ‘প্রত্যেক প্লেয়ারই ম্যাচ খেলতে চায়। আমি চাই এবং নিশ্চিত যে স্যারও যখন প্লেয়ার ছিল স্যারও খেলতে চাইত (হাসি)। তবে আমাদের দলে খুব ভালো যোগাযোগ হচ্ছে। কে খেলছে কোন রোলে খেলছে, যারা খেলতে পারছে না তারা কেন খেলতে পারছে না সব ব্যাপারে। ম্যাচ না খেললে একটু খারাপ লাগলেও দলের পরিবেশের কারণে এটা সবাই মানিয়ে নিচ্ছে।’
মুশফিকুর রহিম থাকার কারণে উইকেটকিপিংয়ে সুযোগ যে কম পাবেন তাও আগে থেকে জানা ছিল আকবরের, ‘যখন দল করা হয়েছে, হান্নান স্যার আমাকে আগেই বলে দিয়েছে বেশিরভাগ সময় মুশফিক ভাই কিপিং করবে, আমাকে হয়তো ফিল্ডিং করানো হতে পারে। এটা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্রও দুঃখ নেই।’
এসএস/এসএন