একজন বাঙালি, একজন দক্ষিণী। দু’জনের বিয়ে মানেই তো কৌতূহল তুঙ্গে! আদৌ কি দু’ধরনের রীতিনীতিই মানা হবে, নাকি বাঙালি স্টাইলেই সাতপাক ঘুরবেন বঙ্গসুন্দরী অদ্রিজা? প্রশ্ন কিন্তু অনেক। বয়স তো সবে ২৬। এত তাড়াহুড়ো কেন? বাংলা থেকে মুম্বই পাড়ি দিয়ে টলিপাড়ার পরিচিত মুখ অদ্রিজা একের পর এক ধারাবাহিকে কাজ করে নিজের জায়গা শক্ত করেছেন। আর ক্যারিয়ার যখন ধীরে ধীরে সেট হয়ে আসছে, তখনই জীবনের আরেকটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসী পদক্ষেপ। কোনও বাঙালি যুবক নয়, অদ্রিজার হৃদয় জুড়েছে এক দক্ষিণী যুবকের সঙ্গেই।
মুম্বইয়ে কাজের সূত্রে নতুন জীবন গড়ে ওঠার পাশাপাশি অদ্রিজা বুঝতে পেরেছেন, ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি স্থিরতা চান। জনপ্রিয়তা বাড়লেও নিজের সম্পর্ক বরাবরই চোখের আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন অভিনেত্রী। তবে এই বিশেষ খুশির খবর আর গোপন রাখতে চাননি তিনি।
তাই আগামী ২৫ তারিখে ঘরোয়া আয়োজনে সারবেন বাগদান । সেখানে থাকবেন শুধুই কাছের মানুষ, বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন। অদ্রিজার কাছে এই মুহূর্তটা একেবারেই ব্যক্তিগত, তাই জাঁকজমকের বদলে চেনা পরিবেশেই উদ্যাপন।
জানা গিয়েছে, এক বন্ধুর পার্টিতেই অদ্রিজা ও ভিগনেশ আইয়ারের প্রথম আলাপ । প্রথম দেখাতেই একে অপরের ব্যক্তিত্ব ভালো লেগে যায় দু’জনেরই। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় কথাবার্তা, ধীরে ধীরে কাছাকাছি আসা এবং মাঝেমধ্যেই দেখা করার পরিকল্পনা। অদ্রিজার কথায়, তাঁদের সম্পর্কের ভিত গড়ে উঠেছে পারস্পরিক বোঝাপড়া আর ব্যক্তিত্বের মিল থেকেই ।
এই বছর অবশ্য বিয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। কারণ পাত্র দক্ষিণ ভারতীয়, আর অদ্রিজা নিজে বাঙালি। দু’জনের সংস্কৃতি আলাদা হলেও সেটাকেই সুন্দরভাবে একসূত্রে বাঁধতে চান তাঁরা। অদ্রিজার বহুদিনের স্বপ্ন, তাঁর বিয়েতে যেন বাঙালি ও দক্ষিণী, উভয় রীতিরই ছোঁয়া থাকে । এমন আয়োজন একদিনে সম্ভব নয়, তাই সব দিক ভেবেচিন্তে আগামী দু’বছরের মধ্যেই বিয়ের পিঁড়িতে বসার পরিকল্পনা করেছেন এই নতুন জুটি। আপনি যদি এখনও অদ্রিজার নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা না জানিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই শুভেচ্ছা জানান।
ইউটি/টিএ