সমাধানের পথ খোঁজার বদলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে না খেলার সিদ্ধান্ত অহংকারের বশে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক তারকা স্পিনার হরভজন সিং। তিনি মনে করেন, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারত টাইগাররা। ঘটাতে পারত দুয়েকটি অঘটন। প্রতিবেদন টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে হরভজন বলেন, ‘বিসিবির উচিত ছিল আইসিসির সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রাখা। ভারতে যেতে সরাসরি ‘‘না’’ বলার আগে তাদের আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া দরকার ছিল।’
ক্রিকেটীয় ব্যাপারে হরভজনের মত, ভারতীয় কন্ডিশনে বাংলাদেশ ভালোই করতে পারত, বিশেষ করে দলে মানসম্মত স্পিনার থাকার কারণে। তার ভাষায়, ‘বিশ্বকাপ যদি ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় হতো, তাহলে তাদের কোনো সুযোগই থাকত না। কিন্তু ভারতে হলে তারা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারত এবং সুপার এইটে কয়েকটি অঘটনও ঘটাতে পারত। তাই এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিটা কারও নয়, একমাত্র বাংলাদেশেরই।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অবস্থানকেও অপ্রয়োজনীয় ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করেছেন হরভজন। পিসিবি জানিয়েছিল, বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ সরকারের পরামর্শের ওপর নির্ভর করবে। অনেকেই এই বক্তব্যকে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত হিসেবে দেখেন।
হরভজন এই অবস্থানকে ‘২ বনাম ১’ লড়াই (বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথভাবে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই) হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, পাকিস্তানের এই হস্তক্ষেপের সময় ও উদ্দেশ্য দুটিই প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের ম্যাচ এমনিতেই শ্রীলঙ্কায় নির্ধারিত ছিল, ফলে এই বিষয়ে তাদের নাক গলানোর প্রয়োজন ছিল না। শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ দল ও ক্রিকেটাররাই।’
পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হরভজন। তার মতে, শনিবার টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেয়ার কোনো অধিকার বা প্রয়োজন ছিল না।
আরআই/টিকে