আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের ছাপানো ব্যালট দিয়ে বাক্স ভর্তি করবেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা- এমন কথাই বলছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।
বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের গন্ধ ভেসে আসছিল। কিসের ষড়যন্ত্র জানতে খোঁজ শুরু করি। অতি নির্ভরযোগ্য সূত্রে যেটা জানাতে পারলাম তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
জানতে পারলাম যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জাল ভোট দেওয়ার সব রকম প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তার মতে, নীলক্ষেতের ছাপানো ব্যালটের মতো ব্যালট পেপার ছাপিয়েছে জামায়াত। নয়ন বলেন, তারা নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের পালিত ও অনুগত প্রশাসনের সহায়তায় মুদ্রিত ব্যালট পেপারের ধরন ও সিরিয়াল নম্বরসহ ভিন্ন ভিন্ন প্রার্থী ও প্রতীকের নাম জেনে একই রকম মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিজেদের প্রেসে ছাপিয়েছে। এবং সেসব ব্যালট পেপার ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
যেমন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সহায়তায় ডাকসু নির্বাচনে নীলক্ষেত থেকে হুবহু ব্যালট পেপার ছাপিয়েছিল।
নারী ও পুরুষরা গোপনে ২০টা করে জাল ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন জানিয়ে যুবদলের এই নেতা বলেন, আরো উদ্বেগজনক তথ্য হলো আগে থেকেই ব্যালট পেপারে সিল মেরে রাখা হবে এবং ফজরের নামাজের পরপর একজন পাঁচটা করে সিল মারা ব্যালট পেপার নারীরা গোপনে বোরকায় লুকিয়ে, পুরুষরা প্যান্টের পকেটে ভরে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে দ্রুত গিয়ে ব্যালট বাক্স ভরবে। মানে একজন ২০টা করে ভোট দিলে পাঁচ জনের ভোট হবে এক শো। এভাবে দুপুর পর্যন্ত ভোট দেবে।
দুপুরের পর থেকে তাদের ক্যাডাররা ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা ও মব সৃষ্টি করবে। যেন অন্য কেউ ভোট দিতে না পারে, সাধারণ মানুষ যেন ভয়ে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে না আসে।
রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, আপনারাও জানেন, এর আগে পত্রিকার খবরে এসেছিল, প্রবাসীদের কাছে পাঠানো পোস্টাল ব্যালট সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এ ছাড়া তাদের নারী সংস্থার কর্মীদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে আমাদের নিরীহ মা-বোন, যারা ভোটার, তাদের এনআইডি নম্বর নিচ্ছে, তাদের ফোন নম্বর নিচ্ছে, বিকাশ নম্বর নিচ্ছে। এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের অংশ।
সুতরাং আমাদের অবশ্যই সজাগ হতে হবে, সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
এমআর/টিএ