কিছু কিছু ফুটবলারকে তো দুয়ো দেওয়া হচ্ছে নিয়মিতই। গোটা দলকেও দুয়ো দেওয়ার নজির খুব কম নেই। ঘরের মাঠেও এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার নিয়মিতই হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদকে। তবে কোচ আলভারো আরবেলোয়ার আশা, সমর্থকদের পাশেই পাবেন তিনি। বাড়তি শক্তি হয়েই দলকে উজ্জীবিত করে যাবেন তারা।
গত বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেনফিকার কাছে ৪-২ গোলে হেরে সরাসরি নকআউট খেলার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে রিয়াল মাদ্রিদের। লা লিগায় রোববার তারা ঘরের মাঠে খেলবে রায়ো ভাইয়েকানোর বিপক্ষে।
সাম্প্রতিক নানা অভিজ্ঞতা বলে, এই ম্যাচেও সমর্থকরা উচ্চস্বরেই জানান দিতে পারেন নিজেদের হতাশা ও ক্ষোভ। তবে কোচের ভাবনা ভিন্ন কিছু।
“না (দুয়ো আশা করছি না), বরং আশা করছি, দলের পাশেই থাকবে গোটা বের্নাবাউ। আমরা জানি, সমর্থকদের পাশে পাওয়া প্রয়োজন আমাদের। কারণ, একসঙ্গে আমরা আরও শক্তিশালী। আমাদের লক্ষ্য এই ম্যাচ জিততে লিগ শিরোপার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া।”
ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুয়োর শিকার হয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে ভিনিসিউস। এছাড়া জুড বেলিংহ্যামকেও দুয়ো দেওয়া হয়েছে। কোচ তাদের পাশ দাঁড়িয়ে বললেন, তারাই দলের সম্পদ।
“ফুটবলীয় সব বিতর্ক নিয়ে আপত্তি নেই আমার। তবে সেরা ফুটবলারদের অবশ্যই মাঠে চাই আমি। যত সময় তারা খেলবে, ততই ভালো হয়ে উঠবে… তারা এমন ফুটবলার, যারা ম্যাচ উন্মুক্ত করে দিতে পারে যে কোনো সময়।”
“যারা মাদ্রিদের সমর্থক নয়, তারাই এই ফুটবলারদের এখানে চাইবে না। কিন্তু সত্যিকারের মাদ্রিদ সমর্থকেরা তাদের সেরা ফুটবলারদের অবশ্যই মাঠে দেখতে চায়।”
বেনফিকার কাছে হারার পর কিলিয়ান এমবাপে প্রকাশ্যেই বলেছেন, দলের ভেতর তাড়না না দেখে তিনি হতাশ। বেলিংহ্যাম সেই পারফরম্যান্সকে বলেছেন ‘ভয়ঙ্কর।’ দলের ভেতরও নানা সমস্যা সামলাতে হচ্ছে কোচকে। আরবেলোয়া বললেন, চেষ্টা তিনি চালিয়ে যাবেন।
“যে ধারাবাহিকতা আমাদের প্রয়োজন, তা খুঁজে পেতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। মোহভঙ্গ বা উচ্ছ্বাস, কোনো কিছুর সময় এটা নয়। এথন সময় কাজ করার… ব্যস! আক্ষেপ নিয়ে বসে থাকলে এগোনো যাবে না। কিছু যখন ঠিকঠাক হয় না, তখন উন্নতির বিকল্প নেই। কোচ হিসেবে আমার পথ এটিই। অবশ্যই আমি অনেক ভুল করবে। সেগুলো শোধরানোর চেষ্টাও করব।”
এসকে/টিএ