ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে সদ্য বহিস্কৃত আলোচিত নারী নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সরকারে যেই আসুক আমার আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ কে গুইন্নাই তাকে রাজ্য পরিচালনা করতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন সবসময় দেখা গেছে অবহেলিত। সদরের দিকে তাকাইয়া তাকাইয়া তাদের দিনচলে। সরাইল-আশুগঞ্জের অভিভাবক হবে সৎ সাহসী সত্যবাদী, অন্যায়ের বিপক্ষে যে লড়াই করে, সেরকম মানুষ হবে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার বড্ডা পাড়ায় আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন বলেন, ‘আমার প্রিয় ভাই-বোনদের বলি এমনও প্রার্থী আছে দেওলিয়া হয়ে গেছে। বড়-বড় দল শেখ হাসিনার সময় মেয়র জাহাঙ্গীরের লুঙ্গির তলে থাকতো। শেখ হাসিনার গুণগান গাইতো। এখনো বলে শেখ হাসিনা উন্নয়ন করে গেছে, তারেক রহমান তার ধারাবাহিকতাই করবে। এরকম মানুষকেও নমিনেশন দিতে হয়। আফসোস লাগে, এত বড় দল প্রার্থী খুঁইজা পাইল না। দল-গোলামি করতে পারে। সরাইল আশুগঞ্জের ভোটারেরা গোলামী করে না। আমরা লড়াই করার জাত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জাত। আমরা মাথা নিঁচু করে চলি না।’
তিনি বলেন, প্রিয় ভাই বোনেরা শুধু গ্যাস নয়, নানা দিক থেকে সরাইল-আশুগঞ্জ অবহেলিত। আমাদের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয় নাই। ভাঙ্গা রাস্তা, ব্রিজ নাই। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়, নদীর পানি বাড়লে মাটি ভেঙ্গে এলাকা বিলীন হয়ে যায়। আমাদের তরুণ প্রজন্ম কিশোর ভাইদের জন্য খেলার মাঠ নাই। আমাদের স্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল, স্কুল- কলেজ মাদ্রাসা বিভিন্ন জায়গায় অনুন্নত অবস্থায় পড়ে আছে। আল্লাহ যদি আপনাদের দোয়া আশীর্বাদে আমাকে সরাইল-আশুগঞ্জে এমপি নির্বাচিত করে, তাহলে সরাইল আশুগঞ্জের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, গ্যাস, বিদ্যুৎ হাসপাতালসহ অন্যান্য যে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে, সেখানে ডাক্তার-নার্স, ঔষধ যেন থাকে সেই ব্যবস্থা করা হবে।
রুমিন বলেন, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির সহ অন্যান্য যে প্রতিষ্ঠান গুলো আছে, তারা যাতে ঠিকভাবে কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা আমার নির্বাচনী আগ্রাধিকার।
ফলাফল না হওয়া পর্যন্ত কাউকে কেন্দ্র না ছাড়াও আহ্বান জানান তিনি।
পিএ/টিকে