ভারতের সিনেমা জগতে এক হাজার কোটি টাকার একক আয়কারী চলচ্চিত্রের ক্লাবটি এখন সুপারস্টারের সর্বোচ্চ মাপকাঠি হিসেবে করে গেছে। ২০১৭ সালে প্রভাস ও আমির খানের পথচলার মধ্য দিয়ে এই ক্লাবে প্রবেশ শুরু হয়। ২০২৫ সালে রণবীর সিংও এই মাইলফলক ছুঁয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। মোট ছয়জন অভিনেতাই নিজেদের একক প্রসঙ্গে এমন ধামাকা সৃষ্টি করতে পেরেছেন, যা শুধুমাত্র তাদের জনপ্রিয়তা বা শক্তিশালী বক্স-অফিস টানেই সম্ভব হয়েছে।
প্রতিটি সফলতা কেবল অভিনেতার জন্য নয়, সমগ্র শিল্পের জন্য একটি পরিবর্তনের সূচক। বাজার সম্প্রসারণ, ভাষার সীমা ভাঙা এবং চলচ্চিত্রের আকার ও ধারণাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করাসবকিছুরই প্রতিফলন দেখা গেছে। বিশেষ করে প্যান-ইন্ডিয়া এবং আন্তর্জাতিক মুক্তির ধারা যেদিন সাধারণ হয়ে উঠেছে, তখন প্রত্যাশার মাত্রা আরও বেড়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, পরবর্তী এক হাজার কোটি টাকার একক সফল চলচ্চিত্রের নায়ক কে হবেন? হৃতিক রোশন, সালমান খান, জুনিয়র এনটিআর, রাম চরণ, এমনকি রিষব শেট্টির নামও আলোচনার কেন্দ্রে। বড় বাজেট, আন্তর্জাতিক মুক্তি এবং আগ্রাসী মার্কেটিং এখন বিনোদন শিল্পের অংশ। একটি শক্তিশালী চলচ্চিত্র, সঠিক সময়ে মুক্তি পেলে ইতিহাসের পাতা নতুন করে লেখা সম্ভব।
এমন পরিস্থিতিতে, দর্শকরা শুধু অভিনেতাদেরই নয়, পুরো শিল্পকেই নতুন উচ্চতায় দেখতে মুখিয়ে আছেন। আগামীর সিনেমা ও তারকারা শুধু রেকর্ডই গড়বেন না, একই সঙ্গে ভারতীয় সিনেমার বৈশ্বিক দিককে আরও প্রসারিত করবেন।
কেএন/এসএন