“ব্যাঙাচির লেজের মতো, কখন খসে পড়ে বলা যায় না” জীবনের এক পর্যায়ে এমন কটাক্ষই নাকি বদলে দিয়েছিল তার ভাবনা। স্থায়ী চাকরির নিরাপদ পথ ছেড়ে অভিনয়ের অনিশ্চিত জগতে পা রাখার সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না। তবু সেই সাহসী সিদ্ধান্তই আজ তাকে এনে দিয়েছে রূপালি পর্দার উজ্জ্বল পরিচয়। কথা হচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে, যিনি নিজের সংগ্রামের গল্প শুনিয়ে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন অসংখ্য স্বপ্নবাজ তরুণকে।
শুরুর দিনগুলো মোটেই মসৃণ ছিল না। নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা ছেড়ে অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্ত পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের অনেকের কাছেই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে শ্বশুরের একটি তির্যক মন্তব্য তার মনে গভীর রেখাপাত করে। সেই কটাক্ষই তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে নিজের স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
এরপর ধীরে ধীরে পর্দায় নিজেকে প্রমাণের লড়াই শুরু। ছোট ছোট সুযোগ থেকে বড় চরিত্র প্রতিটি ধাপেই ছিল অধ্যবসায় আর আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা। সময়ের সঙ্গে দর্শকের ভালোবাসা ও নির্মাতাদের আস্থা তাকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের শিখরে। আজ তিনি কেবল একজন অভিনেতা নন, বরং স্বপ্নপূরণের এক জীবন্ত উদাহরণ।
আবির চট্টোপাধ্যায়ের এই পথচলা মনে করিয়ে দেয়, অনিশ্চয়তার ভয় যত বড়ই হোক, নিজের মনের ডাকে সাড়া দেওয়ার সাহসই শেষ পর্যন্ত মানুষকে আলাদা করে তোলে। কটাক্ষ, সংশয় আর বাধা পেরিয়েই তৈরি হয় সাফল্যের গল্প যা অন্যদেরও এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়।
এমকে/এসএন