নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে আশাবাদ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেবে, ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে। নির্বাচিত হলে জামায়াতই নির্ধারণ করবে সরকারপ্রধান কে হবেন।
আজ শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সাভারে ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এনসিসির প্রার্থী দিলশানা পারুলের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণায় সারাদেশে কাজ করছি। ১১ দলীয় জোটের পক্ষে মানুষের অভূতপূর্ব সাড়াও পাচ্ছি। ইনশাল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা সেটার ফলাফল পাব।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় ইনশাল্লাহ ১১ দলীয় জোটে জয় লাভ করবে। এই জোটের সরকার গঠন করার সক্ষমতাও রয়েছে। এই জোট সরকার গঠনের জোট। সরকার গঠনের জন্য এই জোটের তৈরি।
বিরোধী দলে গেলে কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার বা বিরোধীদল এসবের ঊর্ধ্বে হচ্ছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ যেটাতে রায় দেবে সেটাকেই আমরা শ্রদ্ধা জানিয়ে মেনে নেব।
১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন-এমন প্রশ্নে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এ বিষয়ে এখনও পরিষ্কারভাবে কিছু আলোচনা হয়নি। যেহেতু জোটের নেতৃত্ব জামায়াত আছে, জামায়াতই ঠিক করবে নেতৃত্ব কাকে দেবে। পরবর্তীতে আমরা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
নির্বাচনি পরিবেশ কেমন দেখছেন-এমন প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, পরিবেশ বলতে গেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো আমরা পাচ্ছি না। আমাদের কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন জায়গায় মারা হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে। প্রশাসনের জায়গা থেকেও আমরা নিরপেক্ষতা পাচ্ছি না। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন? প্রশ্নের উত্তরে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিটি ঘটনা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন। আগের আমলের মতো যাতে নির্বাচন না হয়। সেসব নির্বাচনের পরিণতি কী হয়েছিল বাংলাদেশের জনগণ তা দেখেছে। পুলিশ প্রশাসনের কী পরিণতি হয়েছে, সেটাও দেখেছে। আমরা চাই এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আপনি বিভিন্ন বক্তব্যে ‘জালিম’ শব্দকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। কাদের ইঙ্গিত করছেন? এই প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ৫ আগস্টের পরে নতুন করে চাঁদাবাজি করছে, মানুষের ওপর জুলম করেছে, দুর্নীতি করেছে-তাদেরই ইঙ্গিত করেছি।
কেএন/টিকে