একের পর এক উইকেট পতনের পরও ক্রিজের একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। শেষ ২ ওভারে দরকার ছিল ৩৩ রান। যেটা ছিল প্রায় অসম্ভবই। কিন্তু শরিফুল ইসলামের করা ১৯তম ওভারে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে ২৬ রান তোলেন সোহান। পরের ওভারের তিন বলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দুর্বার একাদশ।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৬ রান করে ধূমকেতু। জবাবে ৩ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দুর্বার।
শুরুতে ব্যাট করতে নামে ধূমকেতু। কিন্তু শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। গোল্ডেন ডাক খেয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ২০ বলে ২৮ রান করে আউট হন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। আর আউট হওয়ার আগে পারভেজ হোসেন ইমন ১৩ ও তাওহীদ হৃদয় ৭ রান করেন।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রানের ইনিংসটি খেলেন দলনেতা লিটন কুমার দাস। ৩১ রান আসে শেখ মেহেদীর ব্যাট থেকে। এছাড়া শামীম ১৭, রিশাদ ০, নাসুম ৯ ও শরিফুল ১ রান করেন।
রান তাড়া করতে নেমে শরিফুলের করা প্রথম ওভারেই ১৪ রান নেন দুর্বার একাদশের ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। কিন্তু পাওয়ার প্লে শেষ হতে না হতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। ২ রানে শান্ত, ১৭ রানে হাবিবুর ও আফিফ ১ রানে আউট হন।
এরপর একের পর এক উইকেট পড়লেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন নুরুল হাসান সোহান। তার বীরত্বেই জয় পেয়ে যায় দুর্বার একাদশ। ফিফটি পূরণের ৭৬ রানে থামেন সোহান। এছাড়া জাকের আলী ১১, মিরাজ ১, সাইফউদ্দিন ১৯, খালেদ ০ ও হাসান মাহমুদ ৪ রান করেন।
আরআই/টিকে